করোণা এাসঃ দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চলে নজরে এবার হাজার হাজার পরিযায়ী শ্রমিক

0
775

নিজস্ব সংবাদদাতা, দুর্গাপুর ও বর্ধমানঃ- করোনাভাইরাস মোকাবিলায় নজরে এবার পরিযায়ী শ্রমিক। রোজ প্রায় সাড়ে ৬ হাজার শ্রমিক বাঁকুড়া, বীরভূম, পুরুলিয়া জেলা গুলির পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন জেলা থেকে মূলতঃ রেল যোগে কাজে আসেন আসানসোল-দুর্গাপুর-পানাগড়ের বেসরকারি লৌহ ইস্পাত কারখানা গুলিতে।

সমস্যা হল, দেশজুড়ে করোনা ত্রাসের মধ্যেও দৈনিক কাজে আসা ওই পরিযায়ী শ্রমিকদের না আছে মাক্স, না রয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজার। ভিন রাজ্যে, এমনকি ভিন জেলা থেকে ভাইরাস সংক্রমণ শিল্পাঞ্চলে তারা বয়ে আনছেন কিনা, এই নিয়ে বিস্তর চিন্তায় রাজ্য প্রশাসন। শনিবার রাজ্যের কৃষি সচিব সুনীল গুপ্ত দুর্গাপুরে করোনা পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি বৈঠক করলেন সেই বৈঠকে উঠে আসে বিষয়টি। ওই বৈঠকে সুনিল গুপ্তা জেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেন সংশ্লিষ্ট কারখানা গুলিকে বিষয়টি নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। কারখানাগুলি শ্রমিকদের কোন মাক্স সরবরাহ করছে না সেই বিষয়ে খোঁজ নিতে নির্দেশ দেন তিনি।

কারখানাগুলোতে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের কোনো ব্যবস্থা নেই। অঙ্গদপুর শিল্প তালুকের এক কারখানার মালিক বলেন, “চাইলেই তো আর পাবো না। বাজারে কোথাও স্যানিটাইজার নেই। মাস্ক নিয়ে কালোবাজারি চলছে”।

দক্ষিণবঙ্গের ক্ষুদ্র-মাঝারি লৌহ শিল্প কারখানার মালিক সংগঠনের সভাপতি শংকর আগরওয়াল বলেন “শ্রমিকদের নিজেদের স্বার্থেই সচেতন থাকতে হবে । আমাদের কারখানাগুলি তো আর ‘ঘরে থেকে কাজ কর’ নীতি নিয়ে চলতে পারে না। তাহলে তো উৎপাদনী বন্ধ রাখতে হবে ।”

গোটা বিষয়টির গুরুত্ব বুঝে সত্বর ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে এবার উদ্যোগী দুর্গাপুর প্রশাসন। মহকুমা শাসক অনির্বাণ কোলে বলেন, “কাল থেকেই কারখানাগুলিতে সচেতনতা বাড়ানোর কাজ শুরু হবে ।

পূর্ব বর্ধমান প্রশাসনের সাথে করোনা বৈঠকে সুনীল গুপ্ত বলেন, “বাইরে থেকে আসা সব লোকজনের ওপর নজরদারি বাড়াতে হবে। স্বাস্থ্য কর্মীদের বাড়ি বাড়ি পাঠাতে হবে। উল্লেখ্য , পূর্ব বর্ধমানের ১৪৩ জন বিদেশ ফেরত লোকেদের পরিবারে নজরদারিতে সিভিক পুলিশদের কাজে লাগানো হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here