একশো টাকার নোটের মধ্যে মুড়িয়ে ৬ লাখের আংটি, চুরির অভিযোগ পরিচারিকার বিরুদ্ধে

0
113

সংবাদদাতা, দক্ষিন ২৪পরগনা:- একশো টাকার নোটের মধ্যে মুড়িয়ে ৬ লাখের আংটি চুরির অভিযোগ উঠল এক বাড়ির পরিচারিকার বিরুদ্ধে। যদিও সেই আংটির মালিকানা পেলেন না মালকিন কারন সেটি হল চোরাই আংটি। মালিকের একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন ওই পরিচারিকা। বাড়ির লোকেরা জানার আগেই সুযোগ বুঝে ওই পরিচারিকা ৬ লাখ টাকার আংটিটি হাতসাফাই করে নেয়। যখন বাড়ির সবাই ওই পরিচারিকার ওপর সবার সন্দেহ হয় তখন বাড়ির লোকজন সবাই হলুস্থুলু করে আংটিটি খুঁজতে থাকেন। কিন্তু আংটি খুঁজে কোনো লাভ হয়নি? আসলে, ওই ব্যাবসায়ী মালিক জানতেন না পরিচারিকার আসল বাড়ি, ঠিকানা এবং পরিচারিকার আসল পরিচয়পত্র। থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর প্রাথমিক তদন্তে পুলিশও আসল ব্যাপারটি নিয়ে কিছুই কুল কিনারা খুঁজে পারছিলেন না। পরে ওই থানারই এক গ্রীন পুলিশ কর্মী সঠিক পথে এই কেসের দিশা দেখান। তার মতে, দক্ষিন ২৪ পরগনার মন্দিরবাজার অঞ্চল থেকে বহু মানষ এখানে কাজ করতে আসেন। পুলিশও সেই সূত্র ধরে তল্লাশি করতে শুরু করে। এবং তার ফল পুলিস হাতেনাতে পেয়ে যায়। মন্দিরবাজার অঞ্চল থেকে পুলিস সীমা সর্দার নামে ওই পরিচারিকাকে পুলিশ নিজেদের হেপাজতে নিয়ে নেয়। এরপর পুলিশ ওই পরিচারিকার বাড়ি থেকে একটি ১০০ টকার নোটের মধ্যে থেকে ৬ লাখ টাকার বহুমূল্য আংটিটি উদ্ধার করেন। পুলিশি তদন্তে আরো জানা যায় যে, মন্দিরবাজার এলাকায় আরো কিছু ব্যাক্তি আছে যারা চোরাই মালের সাপলাই করে। কলকাতায় কাজ করতে আসা পরিচারক, পরিচারিকার কাছ থেকে দেদার চোরাই মাল কেনে। মুলত, তাদের জন্যই এই সমস্ত পরিচারক, পরিচারিকার এতোটা উৎসাহ পায় নিজেদের কর্মস্থল থেকে দামী জিনিস চুরি করার। পুলিশি তদন্তে আরো জানা যায় যে, এই আংটিটি বাড়ির পরিচারিকাটি পাচার করার ছক কষেছিল। কিন্তু তার আগেই পুলিশ হানা দিয়ে ওই বহুমূল্য আংটিটি উদ্ধার করেন। এরপর পুলিশ ওই মালিকের প্রমান নিয়ে তাদের হাতে আংটিটি ফিরিয়ে দেয়। ইতিমধ্যেই পুলিশ এই কেসের তদন্তে নেমে পড়েছে তাদের প্রধান উদ্দেশ্য হল আসল মাস্টার মাইনডকে ধরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here