শ্বেত বিপ্লবের সম্ভাবনা নিয়ে জন্ম নিল গো পিওর দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত সামগ্রীর কারখানা

0
174

সঞ্জীব মল্লিক, বাঁকুড়া :- সোমবার থেকে বাঁকুড়ার নন্দনপুর এলাকায় চালু হয়ে গেল দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত সামগ্রীর নয়া কারখানা গো পিওর। যে কারখানা এখন থেকেই যেমন বহু বেকারের কর্মসংস্থানের ঠিকানা হয়েছে ঠিক তেমনই উত্তর বাঁকুড়ার গ্রামীন অর্থনীতির ক্ষেত্রে এই কারখানার এক সুদুর প্রসারি প্রভাব দেখতে পাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। রুখা শুখা বাঁকুড়া কি দুগ্ধ ও দুগ্ধ জাত সামগ্রী উৎপাদনের মধ্য দিয়ে শ্বেত বিপ্লবের সম্ভাবনা দেখছে? সোমবারের পর থেকে সেই সম্ভাবনাকে আর একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। দুগ্ধ শিল্পে যা শ্বেত বিপ্লব নামে পরিচিত। এবার বাঁকুড়া জেলাতেও তেমনই এক বিপ্লবের সূচনা হল গো পিওর দুগ্ধ শিল্পের হাত ধরে। এমনিতে বাঁকুড়ার অন্যতম রুক্ষ্ম ব্লক হিসাবে পরিচিত মেজিয়া ও গঙ্গাজলঘাঁটি ব্লক । চাষাবাদ সেভাবে হয়না বললেই চলে। এতদিন এলাকায় যা দুধ উৎপাদন হত তা স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বিক্রি করা হত দূরবর্তী রানীগঞ্জ ও আসানসোলের বাজারে । গ্রাম প্রধান এলাকায় প্রত্যেকের বাড়িতেই কমবেশি দুধ উৎপাদন হওয়ায় স্থানীয় বাজারে তেমন চাহিদাও ছিল না। ফলত ওই এলাকায় গাভী পালনের প্রবনতা ধীরে ধীরে কমছিল সাধারন মানুষের মধ্যে। গো পিওর কোম্পানির হাত ধরে দুগ্ধ সংরক্ষন ও দুগ্ধ জাত সামগ্রীর শিল্প স্থাপিত হওয়ায় স্থানীয় ভাবে উৎপাদিত দুধের চাহিদা যেমন বৃদ্ধি পাবে তেমনই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সমন্বিত এই শিল্পে এলাকার বহু মানুষের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে কর্ম সংস্থান হবে বলে দাবি কারখানা কর্তৃপক্ষের। কারখানাটির মাধ্যমে সরাসরি গাভী পালকরা উপকৃত হওয়ায় মেজিয়া ও গঙ্গাজলঘাঁটি এলাকার গ্রামীন অর্থনীতিও ব্যাপক ভাবে চাঙ্গা হবে বলে মনে করছেন অনেকে। এই শিল্পে উৎপাদিত সামগ্রীর উচ্চ গুনগত মান বজায় রাখাই আপাতত প্রধান লক্ষ বলে জানিয়েছেন কারখানা কর্তৃপক্ষ ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here