বিধায়কের হস্তক্ষেপে এবার সরকারী ভাতা পাবেন ছৌ-মুখোশ শিল্পীরাও

0
265

জয়প্রকাশ কুইরি ,পুরুলিয়াঃ লালমাটির দেশ পুরুলিয়ার কথা উঠলেই আমাদের চোখের সামনে যেমন ভেসে ওঠে সবুজে ঘেরা অযোধ্যা পাহাড়ের মনোরম দৃশ্য। তেমনি আরও একটা জিনিস বছরের পর বছর পুরুলিয়ার ঐতিহ্য বহন করে চলেছে তা হল ছৌশিল্প। কিন্তু কালের নিয়মে বর্তমানে ছৌশিল্পের কদর ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। ফলস্বরূপ আয় কমেছে ছৌশিল্পীদের। বহু শিল্পীর এমন অবস্থা যে মুখোশ তৈরীর টাকা জোগাড় করতেও হিমশিম খেতে হয়। ঠিক তাদের মতোই অবস্থা পুরুলিয়া জেলার বাঘমুন্ডি ব্লকের চড়িদা গ্রামের ছৌ মুখোশ প্রস্তুতকারীদের। এই চড়িদা গ্রামে বর্তমানে প্রায় ৫০০ পরিবারের রয়েছে, যাদের প্রধান জীবিকা বলতে মুখোশ তৈরী করা। এই সমস্যার মধ্যে আরেকটি হলো শিল্পী ভাতা। আর তাদের এই সমস্যা মেটাতে এবার সরব হলেন বাঘমুন্ডির বিধায়ক নেপাল মাহাতো। বিধায়কের কথায়, বর্তমান রাজ্য সরকার ক্ষমতায় আসার পর যাত্রাপালা, নাটক, কীর্তনীয়া, ছৌশিল্পী থেকে শুরু করে বহু শিল্পীদের ভাতা প্রদানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু আজ যাদের হাতে জেলার ছৌ শিল্পীদের মুখোশ পূর্ণতা পাচ্ছে তারা ব্রাত্য থেকে গেছেন সরকারী ভাতা থেকে। আর তাই মুখোশ শিল্পীদের ভাতা চালু করার দাবি নিয়েই এবার বিধানসভায় সরব হলেন বিধায়ক নেপাল মাহাতো। আর তিনি যা জানিয়েছেন তাতে ফের নতুন করে আশায় বুক বাঁধছেন মুখোশ শিল্পীরা। বিধায়ক জানিয়েছেন, মুখোশ শিল্পীদের অবস্থার কথা মন্ত্রীমহলে জানানোর পরেই তাদের জন্য ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। খুব দ্রুত মুখোশ শিল্পীদেরও সরকারী পেনশনের আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছেন পুরুলিয়া জেলার বাঘমুন্ডির বিধায়ক নেপাল মাহাতো। মুখোশ শিল্পী ফাল্গুনী সূত্রধর, কান্তি সূত্রধর বিধায়ক নেপাল মাহাতোর তাদের জন্য এহেন উদ্যোগ ও প্রচেষ্টার জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। আপাতত সরকারী ভাতা শুরু হওয়ার অপেক্ষায় আশায় বুক বেঁধেছেন মুখোশ শিল্পী ও তাদের পরিবারেরা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here