কংগ্রেস-আর এস এস যোগ সহ জিয়াগঞ্জ -জলঙ্গি কাণ্ডেও সরব, শুভেন্দু অধিকারী

0
115

সংবাদদাতা,মুর্শিদাবাদ:-

এতটাও বোধয় খোদ দলীয় কর্মীরাও আশা করেননি! ঐতিহাসিক নবাব নগরী মুর্শিদাবাদে ঝটিকা সফরে লালবাগের মতিঝিল পার্কে বিজয়া সম্মেলনীতে এসে দলীয় জেলার ত্রিস্ত্রর পঞ্চায়েতের নির্বাচিত সদস্য , জেলা , ব্লক নেতৃত্ব ও বিশিষ্ট জনদের নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা পর্যবেক্ষক তথা মন্ত্রী পরিবহন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নিজের ঢঙ্গেই বিজয়া সম্মেলনী অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে আচমকা তীব্র আক্রমন শানিয়ে সরব হন ‘সাম্প্রদায়িক বিজেপি’ সহ ‘দিশাহীন কংগ্রেস ও সি পি এমের ‘বিরুদ্ধে। তিনি শুরুতেই স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, গত লোকসভা নির্বাচনে জঙ্গীপুর কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী নাগপুরের সঙ্গে কথা বলে ঠিক করেছিলেন কংগ্রেস । আবার সিপিএম নিজেদের প্রতীক নিয়ে প্রচার করলেও বহরমপুর কেন্দ্রের জন্য ভোট চেয়েছেন অধীর চৌধুরীর জন্য । এক অদ্ভুত সমীকরণ নিয়ে ওরা চলছে ।আর ভোট এলেই বিজেপি বিভাজনের রাজনীতি করে ।প্রসঙ্গত জিয়াগঞ্জ সপরিবারে শিক্ষক খুনের ঘটনাতে পেটুয়া মিডিয়া কে ব্যবহার করে এলাকাকে অস্থির করতে চেয়েছিল বিজেপি ।কিন্তু আমাদের রাজ্য পুলিশ সাত দিনের মাথায় প্রকৃত অপরাধী কে গ্রেপ্তার করে বিজেপির সেই চক্রান্ত কে বাতিল করে দিয়েছে ।”

এই ব্যাপারে কেন্দ্রীয় এজেন্সি কে খোঁচা দিয়ে তিনি বলেন , “ রবীন্দ্র নাথের নোবেলের হদিশ কিন্তু ওরা আজও দিতে পারেনি । অথচ একটা খুন নিয়ে রাজ নীতি করতে এসে আমাদের পুলিশের নামে বিভিন্ন রকম ভাবে কুৎসা রটাতে শুরু করেছিল বিজেপি ।কিন্তু আমাদের রাজ্য পুলিশ সেই খুনের কিনারা করে দিয়ে কুৎসাকারীদের যোগ্য জবাব দিতে পেরেছে “।গত কয়েক বছর ধরে নিয়ম মাফিক ভাবে জেলার মানুষ ও দলীয় নেতা কর্মীদের নিইয়ে বিজয়া সম্মেলনী করে আসছেন জেলা তৃনমূলের পর্যবেক্ষক শুভেন্দু অধিকারী।সম্মেলনী অনুষ্ঠানে তিনি ধর্মের উরদ্ধে উঠে সম্প্রীতির কথা বলেন । মূলত সকল তৃণমূল করমীদের উদ্দ্যেশে তিনি নির্দেশ দেন যে কোন পরিস্থিতে বিভাজনের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে সম্প্রীতির মেল বন্ধন গোড়ে তুলতে হবে । ময়দানে নেমে আমরা রাজনীতি করব মানুষের উন্নয়নে , মানুষকে সঙ্গে নিয়ে ।ফলে কোন ভাবেই বিভাজন কে মেনে নেওয়া যাবে না । এদিনও বিজয়া সম্মেলনীতে হাজির হয়ে তিনি একই বার্তা দিয়ে গেলেন । বিভাজনের কথা বলতে গিয়ে তিনি কার্যত বিজেপিকে কাঠ গোড়ায় দাড় করিয়ে উপস্থিত দল কর্মীদের বোঝাতে চেয়েছেন বিজেপে এই বাংলা কে অস্থির করে তুলতে বিভাজনের রাজনীতি কে উস্কে দিচ্ছে । সেক্ষেত্রে দলীয় নেতা কর্মীদের সজাগ থেকে তা প্রতিহত করার জন্য তৈরি থাকতে বলা হয়েছে । এদিন এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন , “ আগামী নির্বাচনে এন এর সি কে বিজেপি ইস্যু করলে সবচেয়ে লাভবান হবে তৃণমূল । এবং নির্বাচনে আরও বেশী ভোট পাবে তৃণমূল । সবচেয়ে ভাল ফল হলে আমরা ২১ টি আসন লাভ করব আর সবচেয়ে খারাপ ফল হলে দল ১৯ টি আসন পাবে ।” জলঙ্গিতে বিজিবি র গুলিতে এক সীমন্ত রক্ষীর মৃত্যুর বিষয়ে পরিবহণ মন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তিনি সাফ জানিয়ে দেন ,” আন্তর্জাতিক বিষয় নিইয়ে যা বলার আমাদের দল নেত্রী বলেন । তবে এক্ষেত্রে দলের নীতি সবসময় দেশের পক্ষে ।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here