প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা কে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে হাট বসেছে পাণ্ডাবেস্বরে ও পানাগড়ে

0
124

সংবাদদাতা, দুর্গাপুর ,পাণ্ডবেস্বর:- করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রুখতে দেশ জুড়ে চলছে লকডাউন। বিশেষজ্ঞ থেকে দেশের প্রধান মন্ত্রী,রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সকলেই সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন রেখেছেন “ঘরে থাকতে”। খুব জরুরি কাজ থাকলে মাস্ক ও সোশ্যাল ডিস্টেনসিং বজায় রেখেই বইয়ে বের হতে হবে। লক ডাউন অমান্য করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও প্রশাসনের তরফে ঘোষণা করে হয়।
কিন্তু এত কিছু করেও যেন এলাকার মানুষের হুশ ফিরছে না । করোনা ভাইরাস সারা পৃথিবীজুড়ে মহামারীর রূপ নিয়েছে। দিন দিন বাড়ছে মৃত্যু মিছিল। কিন্তু এত দেখেও পাণ্ডবেস্বরের কেন্দ্রা এলাকার মানুষের জমায়েত আতঙ্ক বাড়াচ্ছে এলাকায়। রবিবার এলাকায় হাট বসেছে আগের মতোই। সেখানে মানুষের গাদাগাদি ভিড় নেই করোনা সম্পর্কিত কোনো সুরক্ষা। সোশ্যাল ডিস্টেনসিং চুলোয় দিয়ে চলছে হাট।
এলাকার বুদ্ধিজীবী মানুষজন এইসময় এভাবে মানুষের এক জায়গায় জমায়েত হওয়ায় আতঙ্ক বাড়াচ্ছে।
পাণ্ডবেস্বরের বিধায়ক জিতেন্দ্র তিওয়ারি এলাকায় এলাকায় ঘুরে আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন করোনা সংক্রমণ রুখতে। কোথাও গরিব মানুষের হাতে তুলে দিচ্ছেন খাদ্য সামগ্রী তো কোথাও দিচ্ছেন মাস্ক। আবার পাণ্ডবেস্বর বিধান সভা এলাকায় রেশন ডিলারদের দোকানে দোকানে ঘুরে তাদের সচেতন করছেন যাতে কোনো ভাবেই গরিব মানুষ সমস্যায় না পড়েন । কিন্তু কে কার কথা শোনে । এ যেন এলাকার মানুষ একপ্রকার অত্ম্য হত্যার পথ বেছে নিচ্ছেন প্রশাসনের কোথায় তোয়াক্কা না করে ।
স্থানীয় বুদ্ধিজীবীরা মনে করছেন এভাবে মানুষ যদি নিজে সচেতন না হয়,তাহলে কঠিন সময় আসতে চলেছে।

অন্যদিকে পানাগড়ে করোনার কোনো আতঙ্ক নেই মানুষের মধ্যে। অন্যান্য দিনের মতোই একই ভাবে ক্রেতাদের ভিড় জমতে দেখা গেলো পানাগড় বাজারে। করোনার জেরে লক ডাউন শুরু হতেই সমস্ত বাজারে প্রচার করা হয়েছিলো পুলিশের পক্ষ থেকে। স্থানান্তর করা হয় পনাগড়ের বাজার, হাট সমস্ত কিছু। সমস্ত ক্রেতাদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সবজি কেনার কথাও বলা হয়েছিলো। তবে দিন কয়েক এলাকার মানুষ প্রশাসনের নিয়ম মেনে চললেও রবিবার পানাগড় বাজারের ছবিটা ছিলো ঠিক এই রকম। পানাগড় স্টেশন রোড ও পানাগড় বাজারে অবাধে ঘুরছে মানুষ জন। মুদিখানা দোকান গুলোয় ক্রেতাদের ভিড় উপচে পড়ছে।এমনকি ক্রেতাদের ভিড় যাতে না হয় সেই জন্য স্থানান্তর করা হয়েছিলো কাঁকসার হাটের। কিন্তু সকাল গড়িয়ে দুপুর ১২ টায় ভিড় টা ছিলো ঠিক এই রকম।
শুধু কাঁকসা হাট নয়,কাঁকসার সিলামপুরের হাটেও দেখা গেলো একই ছবি। ক্রেতাদের সামাজিক দূরত্ব না মেনেই চলছে কেনাকাটা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here