জ্যোতিষ মতে — ” ভারত আবার জগৎ সভায় শ্রেষ্ট আসন লবে” এমন সম্ভাবনা দেখা দেবে

0
766

জ্যোতিষ অমলাচার্য্যঃ-

বর্তমানে ভয়ঙ্কর করোনা গ্রাস করেছে গোটা বিশ্বকে ভারতও ছাড় পায়নি। চরম আতঙ্কে রয়েছে সমগ্র ভারতবাসী। এই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতে অনেকের প্রশ্ন, জ্যোতিষ করোনার ভাইরাস নিয়ে কি বলছে ?

জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, প্রতি আড়াই বছর অন্তর শনি গ্রহ তার অবস্থান পরিবতন করে। অর্থাৎ আড়াই বছর বাদে বাদে এক রাশি থেকে অন্য রাশিতে প্রবেশ করে শনি গ্রহ। শনির এই রাশি পরিবর্তনের প্রভাব প্রত্যেক মানুষের জীবনের উপর পড়ে। অবশ্য ব্যাক্তিগত জন্মছকে শনির অবস্থানের উপর ফলাফলে তারতম্য ঘটে থাকে। জ্যোতিষশাস্ত্রে বলা হচ্ছে , যাদের জন্মছকে শনি অশুভ জায়গায় অবস্থান করছে তাদের জীবন এই শনির প্রভাবে ছাড়খার হয়ে যেতে পারে। আর্থিক সমস্যা ও নানা ধরণের দুর্যোগ তাদের পিছু ছাড়ে না। এই শনি গ্রহ ২৪ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে ধনু রাশি ছেড়ে মকর রাশিতে প্রবেশ করেছে।

আগেই বলে রাখি , জন্ম অনুযায়ী যেমন প্রত্যেক মানুষ এক একটা রাশির জাতক হয় ঠিক তেমনি দেশেরও রাশি হয়। আমাদের দেশ ভারতের রাশি হল মকর। আর এই মকর রাশিতেই এই বছর শনি গ্রহ প্রবেশ করছে। আর ঠিক এইবছরই করোনা মহামারীতে আক্রান্ত ভারত। এটা কোনও কাকতালীয় ঘটনা নয়। আবার এটাও ঠিক করোনা ভাইরাস ভারতে উৎপত্তি হয়নি। অন্য দেশ থেকে আমাদের দেশে এসেছে।

ভারতের রাশি মকর। সেই মকর রাশিতে গত ২৪ জানুয়ারি থেকে শনি অবস্থান করছে। সেখানে প্রবেশ করেছে মঙ্গল গ্রহ। মঙ্গল মকর রাশিতে তুঙ্গ। জ্যোতিষশাস্ত্রে- শনি মঙ্গল একসঙ্গে হলে তাকে বিষযোগ বলা হয়। এখন এই মকর রাশিতে বিষযোগ হওয়ার ফলে ভারতে করোনা জটিল আকার ধারণ করেছে। ক্ষয় ক্ষতি বাড়বে। এই অবস্থা কিছুদিন চলবে। ৩০ মার্চ এই মকর রাশিতে বৃহস্পতি গ্রহ প্রবেশ করবে। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী তখন শনির সঙ্গে বৃহস্পতির একসঙ্গে গুরুশৌরি যোগের সৃষ্টি হবে এবং মঙ্গল তুঙ্গে অবস্থান করায় বৃহস্পতি নিচভঙ্গ রাজযোগে সৃষ্টি করবে। ৩০ মার্চ পর যতদিন যাবে বৃহস্পতির ডিগ্রি তত বাড়তে থাকবে এবং এই সমস্ত শুভযোগের ফলে ভারতের করোনার প্রকোপ ধীরে ধীরে কমতে শুরু করবে।

এই মকর রাশিতে বৃহস্পতি ৯১ দিন থাকবে। আর মঙ্গল ৪৫ দিন অবস্থান করার পর ৫ মে কুম্ভ রাশিতে প্রবেশ করবে। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী এটা বলা যেতে পারে, ৫ মে’র পর ভারত করোনার হাত থেকে মুক্তি পারে এবং স্থিতাবস্থায় ফিরে আসার সম্ভাবনা প্রবল।

আবার, এই গ্রহ সন্নিবেশের ফলে ভারত মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক তৈরী করে বিশ্ব দরবারে শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করতেও পারে। এমন সম্ভাবনাও রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here