পাথর বোঝাই লরি চাপা পড়ে মৃত ১৪ কনে যাত্রী, ক্ষতিপূরণের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর

0
324

এই বাংলায় ওয়েব ডেস্কঃ- দশচাকা পাথর বোঝাই লরির সঙ্গে কনে যাত্রীর গাড়ির সংঘর্ষ। ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল ১৪ জন কনে যাত্রীর। মৃতদের মধ্যে পুরুষ ও মহিলা ছাড়াও তিনটি শিশুও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মৃতরা ময়নাগুড়ির চূড়াভাণ্ডার, রানিরহাট মোড় এবং মালবাজারের ডামডিম এলাকার বাসিন্দা। মঙ্গলবার রাতে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে ধূপগুড়িতে। এদিক মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনার খবর পেয়ে টুইট করে মৃতদের পরিবারের প্রতি শোক প্রকাশ করেছেন প্রধান মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রীর দফতরের পক্ষ থেকে মৃতের পরিবার পিছু ২ লাখ টাকা ও আহতদের ৫০ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণের ঘোষণা করা হয়েছে।

পুলিশসূত্রে জানা গিয়েছে মঙ্গলবার রাত ৯টা নাগাদ তিনটি ছোট গাড়ি করে ধূপগুড়ির ময়নাতলি এলাকায় বৌভাতের অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন কনেপক্ষের আত্মীয়রা। রাস্তা ফাঁকা থাকায় উল্টো দিকের লেন ধরেই গাড়িগুলো যাচ্ছিল বলে জানা গেছে। অন্যদিকে উল্টোদিকে ঠিক লেনে পাথর বোঝাই ডাম্পার ময়নাগুড়ির দিকে যাচ্ছিল। জলঢাকা সেতুর কাছে কনেযাত্রীদের একটি গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি ধাক্কা লাগে ডাম্পারটির।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, পাথর বোঝাই ডাম্পারের সামনে একটি লরি খুব আস্তে চলছিল। লরিটিকে ওভারটেক করার চেষ্টা করেন ডাম্পারের চালক। সে সময়েই উল্টো লেন ধরে আসা কনেযাত্রীর একটি গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি ধাক্কা লাগে ডাম্পারটির। এরপরই নিয়ন্ত্রণ হারায় ডাম্পারটি। সে সময় পাশ কাটিয়ে কনেযাত্রীদের বাকি দুটো গাড়ি যাওয়ার চেষ্টা করতেই ডাম্পারটি গাড়ি দুটোর উপর উল্টে যায়। যাত্রীসমেত ডাম্পারের তলায় চাপা পড়ে যায় গাড়ি দুটো।ঘটনাস্থলেই তিন শিশু-সহ ১২ জনের মৃত্যু হয়। হাসপাতালের পথে আরও ২ জনের মৃত্যু হয়।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তড়ঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় ধূপগুড়ি থানার পুলিশ। ক্রেন দিয়ে ডাম্পারটিকে তুলে পাথর সরিয়ে আহতদের উদ্ধার করা হয়। আহতদের প্রথমে ধূপগুড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখান থেকে বেশ কয়েক জনকে জলপাইগুড়ির জেলার সুপার স্পেশালিটি হাসাপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

অন্যদিকে, দুর্ঘটনার জেরে রাত ৯ টা থেকে রাত ১ টা পর্যন্ত বন্ধ থাকে এশিয়ান হাইওয়ে ৪৮-এ। রাত ২টোর পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here