দুর্নীতি দমন শাখার তল্লাশিতে পরিবহন আধিকারিকের দুর্গাপুরের বাড়ি থেকে ৩৭ লক্ষ টাকার পোষ্টাল বিনিয়োগের নথি উদ্ধার

0
841

নিজস্ব প্রতিনিধি, দুর্গাপুর:- দপ্তরে কর্মরত থাকার সময়ই আচমকা ‘নিখোঁজ’ হয়ে যাওয়া বর্ধমানের আঞ্চলিক পরিবহন আধিকারিককে ঘিরে বিস্তর চাঞ্চল্য পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানের প্রশাসনিক এবং গোয়েন্দা পুলিশ মহলে। চাঞ্চল্যের মূল কারণ দুই জেলার আধিকারিকেরা টেরই পেলেন না- কে বা কারা অনুপম চক্রবর্তী নামের ওই আধিকারিককে ‘উঠিয়ে’ নিয়ে গেল! কারাই বা তার বর্ধমানের সাধনপুরের সরকারি আবাসন এবং দুর্গাপুরের বিধান নগরের ইস্পাত পল্লীতে তার পৈত্রিক বাড়িতে বৃহস্পতিবার মাঝ রাত অব্দি তল্লাশি চালালো? এরই মাঝে, পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা হঠাৎ ‘ওই অফিসার ছুটিতে আছেন’ বলে ফেলায় জেলা প্রশাসনের অভ্যন্তরে অস্বস্তির পাশাপাশি আশঙ্কাযও ছড়ায় – যে, তবে কি কোনো ভুয়ো অফিসার অনুপমকে উঠিয়ে নিয়ে গেল? কারণ- তিনি যদি ছুটিতেই থাকেন, তবে শুক্রবার তাকে সাধনপুর আবাসন থেকে অফিসে আনার জন্য সরকারি গাড়িই বা কেন গেল?

উল্লেখ্য গতকালই ‘এই বাংলায়’ প্রথম এই সংক্রান্ত একটি সংবাদ পরিবেশন করা হয় ।

আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন সম্পত্তি থাকার অভিযোগেই অনুপমকে আটক করেছে রাজ্য সরকারের দুর্নীতি দমন শাখা। কলকাতার নিউ সেক্রেটারিয়েট ভবন থেকে দলটি সরাসরি হানা দেয় সাধনপুর হাউজিংয়ে অনুপমের ফ্ল্যাটে। সেখানে তল্লাশির পর তাকে নিয়ে দলটি দুর্গাপুরের বিধাননগরে তার পৈত্রিক বাড়িতে হানা দেয় এবং সেখানেও তল্লাশি চলে প্রায় ৩ ঘন্টা। জানা গেছে, দুই জায়গা থেকে ৩৭ লক্ষ টাকার পোষ্টাল বিভাগে বিনিয়োগের নথি উদ্ধার হয়েছে। এত বিপুল পরিমাণ টাকা কীভাবে তিনি গচ্ছিত করলেন তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। তার চাকরির মেয়াদ মাত্র ১১ বছর। ২০০৯ সালের ডব্লু.বি.সি.এস অনুপম বর্ধমানের পরিবহন দপ্তরে যোগ দেওয়ার আগে পুরুলিয়ার পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন। কিছুদিন আগেই তার বিরুদ্ধে রাজ্যের দুর্নীতি দমন শাখার কাছে অভিযোগ জমা পড়ে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here