তৃতীয় দফা নির্বাচন শান্তিতে করতে ৬১৮ কোম্পানি বাহিনী রাখছে কমিশন

0
99

এই বাংলায় ওয়েব ডেস্কঃ- ৬ এপ্রিল মঙ্গলবার রাজ্যে তৃতীয় দফার ভোট। তৃতীয় দফার নির্বাচনে রাজ্যের তিনটি জেলার মোট ৩১ টি বিধানসভা কেন্দ্রে নির্বাচন। তাই দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের নন্দীগ্রামের অশান্তির কথা মাথায় রেখে তৃতীয় দফার নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সমাধান করতে নির্বাচন কমিশন তৎপর । গত দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে কমিশনের নন্দীগ্রামের মতো হাইভোল্টেজ কেন্দ্রে ১৪৪ ধারা জারি করে নির্বাচন করার পরও রিগিং, বুথ দখলের মতো একাধিক অভিযোগ উঠেছে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এফ এই আর করেছেন। যদিও নির্বাচন কমিশন সমস্ত অভিযোগ খারিজ করে দিয়েছে । তাই তৃতীয় দফার নির্বাচন যাতে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে সম্পন্ন করার জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি নিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। তৃতীয় দফার জন্য মোট ৬১৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে। তৃতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে দক্ষিণ ২৪ পরগণা, হাওড়া ও হুগলি জেলায়। সেক্ষেত্রে দক্ষিণ ২৪ পরগণা জেলার জন্য থাকছে ৩০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। যার মধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পুলিশ জেলায় থাকছে ১৩০ কোম্পানি, ডায়মন্ড হারবার পুলিশে জেলায় থাকবে ১১৩ কোম্পানি এবং সুন্দরবন পুলিশ জেলায় থাকবে ৬৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।

এদিকে হাওড়া গ্রামীণ এলাকায় থাকবে ১৩৩ কোম্পানি এবং হাওড়া কমিশনারেট এলাকায় থাকবে ১১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। মোট হাওড়া জেলায় থাকবে ১৪৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী । হুগলি জেলায় থাকবে ১৬৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। তৃতীয় দফার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ও অবাধ করতে রবিবার রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারীক সংশ্লিষ্ট তিন জেলার জেলা শাসক, পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত জেলা শাসক এবং জেলার তথ্য প্রযুক্তির আধিকারীকদের সঙ্গে বৈঠকে করেছেন। ওই বৈঠকেই শান্তিপূর্ণ ও অবাধ ভোট পরিচালনার ক্ষেত্রে পকিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বাহিনীর বিরুদ্ধে যাতে কোনও রকম অভিযোগ না ওঠে তার জন্য সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে কমিশনের তরফে।

তবে প্রথম দফার পর থেকেই রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা বাড়ছে। আর এই হিংসা মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হচ্ছে । দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের পর নন্দীগ্রাম সহ পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে ১ কোম্পানি মহিলা সহ মোট ৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীকে মোতায়েন রেখেছে নির্বাচন কমিশন। ফলে ভোটের দিন যেমন নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কমিশনের কাছে বড়ো চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে তেমনই ভোট পরবর্তী হিংসা ঠেকাতেও কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সব সময় প্রস্তুত রাখতে হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের মতে রাজ্যে নির্বাচন একটি একটি দফা করে শেষ হওয়ার পর পরই হিংসা বাড়বে। বাস্তবে সেটাই দেখা যাচ্ছে। তাই নন্দীগ্রামের নির্বাচন শেষ হয়েও এখনও আলোচনায় থেকে গেছে নন্দীগ্রাম।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here