রাজনৈতিক বচসায় উত্তপ্ত লাউদোহা, বাসন্তীতে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব

0
1580

নিউজ ডেস্ক, এই বাংলায়ঃ লোকসভা ভোটের ফলাফল এখন অতীত, শুরু বিধানসভা ভোটের গুটি সাজানোর কাজ। কিন্তু থেমেও থামছে না ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসা। শাসক ও বিরোধী দলের সংঘর্ষে পড়ে প্রত্যেক দিন কোনও না কোনও নিরীহ মানুষের আহত ও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঘটনা এখন রোজ নামচা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কোথাও দলীয় পার্টি অফিস দখল তো কোথাও দলীয় অফিস ভাঙচুর আবার কোথাও বিজয় মিছিলকে কেন্দ্র করে দুই রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষ নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মঙ্গলবারও সেই একই ঘটনা ঘটল। জানা গেছে লাউদোহা ফরিদপুর থানার ঝানজিরা গ্রামে বিজেপি কর্মী সমর্থকরা বিজয় মিছিলের জন্য বিজেপি সমর্থকদের বাড়িতে বাড়িতে চাঁদা আদায় করছিল। অভিযোগ সেই সময় কয়েকজন তৃণমূল কর্মী ফরিদপুর থানায় এইবিষয়ে অভিযোগ জানালে পুলিশ এলাকায় গিয়ে বিজেপি কর্মীদের আটক করতে গেলে বচসা শুরু হয়। অন্যায়ভাবে বিজেপি কর্মীদের আটক করা হয়েছে এই অভিযোগে মঙ্গলবার সকাল থেকে থানার গেটের সামনে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা বিক্ষোভে সামিল হয়। অন্যদিকে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দলের ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠল দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তী থানার ৮ নং খড়িমাজী গ্রামে। সেখানে মাদার তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থন করায় এক কর্মীকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠল যুব তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, লোকসভা ভোটে মাদার তৃণমূলের নেতা জয়ন্ত নস্করের সঙ্গে ভোট প্রচারে যোগ দিয়েছিলেন এলাকার তৃণমূল কর্মী মুজিবর রহমান (৪০)। এই অপরাধে এলাকার যুব তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন সদস্য মঙ্গলবার ওই কর্মীকে একা পেয়ে লোহার রড, শাবল, কুড়ুল, ধারালো অস্ত্র নিয়ে চড়াও হয়। বেধড়ক মারধরের জেরে গুরুতর জখম ও রক্তাক্ত অবস্থায় ওই তৃণমূলকর্মীকে রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতিরা। এরপর বাড়িতে খবর গেলে পরিবারের লোকেরা আহত অবস্থায় তাকে বাসন্তী গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে ক্যানিং হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখান থেকেও তাকে কলকাতা চিত্তরঞ্জন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। ঘটনায় বাসন্তী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের খোঁজে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।