পরিত্যক্ত কুয়ো থেকে রাজেশ খুনকাণ্ডের বাইক উদ্ধার

0
156

সংবাদদাতা, আসানসোলঃ- আসানসোলের সালানপুরের জেমারীতে যুবক খুনের ঘটনায় রবিবার একটি পরিত্যক্ত কুয়ো থেকে তার মোটোর বাইকটি উদ্ধার করল পুলিশ।

প্রসঙ্গত পাঁচ দিন নিখোঁজ থাকার পর গত শুক্রবার গভীররাতে দোমদহ ও ধাঙ্গুরি গ্রাম সংলগ্ন জঙ্গলের মধ্যে গর্ত খুঁড়ে জেমারীর বাসিন্দা বছর ৩৮-এর যুবক রাজেশ বাউরির বস্তাবন্দী পচাগলা দেহউদ্ধার করে পুলিশ। খুনের ঘটনায় যুক্ত থাকার সন্দেহে এক দম্পতি সহ ওই পরিবারের তিনজনকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে মৃতদেহের সন্ধান পায় পুলিশ। কিন্তু তখনও রাজেশের বাইকটি উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। অবশেষে রবিবার মাইথনের নৌকাচালকদের সাহায্য়ে আল্লাডি মোড় সংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত কুয়োয় কাঁটা ফেলে মৃত রাজেশের বাইকটি উদ্ধার করে পুলিশ।

জানা গেছে গত সোমবার বিকেলে নিজের বাইক সারানোর নাম করে বাড়ি থেকে বের হন রাজেশ। তারপর আর বাড়ি ফেরেননি তিনি। অবশেষে মঙ্গলবার সালানপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন রাজেশের স্ত্রী বন্দনা বাউরি । তদন্তে নেমে গত শুক্রবার রাজেশের পূর্ব পরিচিত পদ্মাবতী সোরেন, তার স্বামী অমিত সোরেন ও পদ্মাবতীর বোন তিথি সোরেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে পুলিশ। পরে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের দাবি জেরায় ওই তিনজন রাজেশকে খুনের কথা স্বীকার করে নেয়। তদন্তকারীদের দাবি, জেরায় পদ্মাবতী ও অমিত তাদের জানায়, গত সোমবার সন্ধ্যায় পদ্মাবতী ফোন করে রাজেশকে দোমদহে ডেকে পাঠান। সেখানে পৌঁছে রাজেশ পদ্মাবতীর সঙ্গে কথা বলছিলেন। সেই সময় তার মাথার পিছনে শাবল দিয়ে আঘাত করেন পদ্মাবতীর স্বামী অমিত। বার কয়েক আঘাত করার পরে রাজেশের মৃত্যু হয়। এর পরে তিন জন মিলে দোমদহ ও ধাঙ্গুরি গ্রাম সংলগ্ন জঙ্গলে মাটি খুঁড়ে রাজেশের দেহ পুঁতে দেন। পরে রাজেশের মোটরবাইকে করেই তিন জন নিজেদের গ্রাম মুচিডিতে ফেরেন এবং মোটরবাইকটিকে রাস্তার পাশের একটি পরিত্যক্ত কুয়োতে ফেলে দেন। রবিবার ওই বাইকটিকেই উদ্ধার করে পুলিশ। খুনের আসল কারণ এখনও জানা না গেলেও পুলিশের প্রাথমিক অনুমান সম্পর্ক জনিত টানাপোড়েনের জেরেই খুন করা হয়েছে রাজেশকে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here