রাসপূর্ণিমার পরে “প্রৌড়াষ্টমী”/”প্রথমাষ্টমী”/”অষ্টমী তিথির” পূজোয় মাতলেন দক্ষিণবঙ্গবাসী

0
537

সংবাদদাতা, বাঁকুড়াঃ–

কোন দেব দেবীর পূজো নয়, রাসপূর্ণিমার পরের যে অষ্টমী তিথি সেই তিথিতে বাড়ির যে বড় সন্তান ছেলে হোক বা মেয়ে হোক তার পূজোয় মাতেন দক্ষিণ পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বা মেদিনীপুর এলাকায় বসবাস কারী উৎকল ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের মানুষ। যা “প্রৌড়াষ্টমী” বা “প্রথমাষ্টমী” বা পুড়া পরব নামে পরিচিত। বাড়ির প্রথম সন্তানের মঙ্গল কামনায় এই রীতি প্রচলিত হয়ে আসছে। বুধবার এই পুড়া পরবে মাতলেন দক্ষিন পশ্চিম্বঙ্গের এই সম্প্রদায়ের মানুষেরা। এই রীতি জগন্নাথ দেবের এক রীতি, এই এলাকার উৎকল ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের সাথে ওড়িষ্যার উৎকল সম্প্রদায়ের মানুষের মিল পাওয়া যায়। লোক সংস্কৃতিকর গবেষক দের কথা অনুযায়ী, আগের দিনে চিকিৎসা ব্যবস্থা এতটা উন্নত ছিল না। সন্তান জন্মানোর পরে অনেকে মারা যেত, কিন্তু সে যাতে সুস্থ সবল থাকে বেড়ে ওঠতে পারে সে জন্য পুড়া পূজোর প্রচলন হয়েছিল। এখানে পুত্র ও কন্যা সন্তান উভয়কেই সমাদরে পুজো করা হয়। যা লিঙ্গবৈষম্যের বিরুদ্ধে বার্তা দেয়। সন্তানের বিজোড় বয়সে পুড়া বসানো হয়। পুজোর উপকরণ হিসাবে ব্যবহার গোবর, দূর্বা, ধান, যব ইত্যাদি। ওই গোবর থেকে পুত্র সন্তানের জন্য নয় টি, এবং কন্যা সন্তানের জন্য সাতটি গুলি তৈরী করে একটি পিড়ির মধ্যে রাখা হয় এবং অনান্য উপাচার রেখে সন্তানের নামে পূজা করা হয়। দেওয়া হয়, বেগুন পোড়া, পুনকা শাক পোড়া প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী ঐ সমস্ত পুড়িয়ে সন্তানের অমঙ্গল দূর করা হয়

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here