পুরুলিয়ায় মৃত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী, বাঁকুড়ায় প্রহৃত বিজেপি কর্মী

0
726

নিউজ ডেস্ক, এই বাংলায়ঃ পুরুলিয়ায় বিজেপি কর্মীর রহস্যজনক মৃত্যুর পর কেটে গেছে বেশকয়েকটা দিন। এদিকে জেলায় একের পর এক বিজেপি কর্মীর মৃত্যুর ঘটনায় ক্ষুব্ধ রাজ্য বিজেপিও। এরকমই পরিস্থিতিতে লোকসভা ভোটের মুখে পুরুলিয়ার মৃত বিজেপি কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে আড়সা সেনাবনা গ্রামে আসবেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব| সেখানে বিজেপি কর্মীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করার সঙ্গে সঙ্গে লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির দলীয় প্রার্থী জ্যোতির্ময় সিং মাহাতোর সমর্থনে একটি সভা করবেন তিনি| উল্লেখ্য পুরুলিয়ায় বিজেপি কর্মী শিশুপাল খুনের ঘটনা জানার পর পুরুলিয়ায় মৃতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কিরন রিজিজু। জেলায় একের পর এক বিজেপি কর্মী খুনের ঘটনায় এমনিতেই বিজেপির তরফে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে আঙুল উঠেছিল, কিন্তু ভোটের মুখে ফের আরও এক বিজেপি কর্মীর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনার পিছনে শাসকদলের হাত রয়েছে বলে সুর চড়িয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভোটের মুখে রাজনৈতিক রঙও লেগেছে ইতিমধ্যেই। ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরুলিয়ায় লোকসভা ভোটের প্রচারে এসে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীও যে শিশুপালের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে সুর চড়াবেন তা বেশ পরিষ্কার। অন্যদিকে যখন পুরুলিয়ায় মৃত বিজেপি কর্মীর পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে আসছেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব তখন বাঁকুড়া জেলায় ফের আক্রান্ত হলেন এক বিজেপি কর্মী। দলীয় পতাকা টাঙ্গানোর সময় দুষ্কৃতিদের মারে গুরুতর জখম হন তিনি। ঘটনা বাঁকুড়ার তালডাংরার বিবড়দা গ্রামের। জানা গেছে, বুধবার সকালে বিবড়দা বাজার এলাকায় মধুময় পরামানিক নামে এক বিজেপি কর্মী দলীয় পতাকা লাগানোর কাজ করছিলেন। অভিযোগ, সেইসময় ১৫ জনের মতো একটি দুস্কৃতিদল আচমকায় লাঠিসোটা নিয়ে তার ওপর চড়াও হয়। রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ আহত ওই বিজেপি কর্মীর। শুধু তাই নয়, আহত অবস্থায় ওই বিজেপি কর্মী রাস্তায় পড়ে থাকলেও তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য গাড়ির ব্যবস্থা করতেও বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পরে তার পরিবারের লোকেরা খবর পেয়ে আহত মধুময় পরামানিক নামে ওই ব্যক্তিকে উদ্ধার করে তালডাংরা ব্লক প্রাথমিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনায় স্থানীয় বিজেপির তরফে দাবি করা হয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে অনতিদূরেই কর্তব্যরত সিভিক ভলেন্টিয়াররা উপস্থিত থাকলেও ওই বিজেপি কর্মীকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেনি বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে।