বাঁকুড়ায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর রুটমার্চের দিনেই বিজেপি-তৃণমূল তুমুল সংঘর্ষ

0
638

নিউজ ডেস্ক, এই বাংলায়ঃ বাঁকুড়া জেলায় লোকসভা ভোটের আরও কয়েকটা দিন বাকি। কিন্তু সেই ভোট শুরুর আগেই বাঁকুড়ায় শুরু হয়ে গেল বিজেপি-তৃণমূল তুমুল সংঘর্ষ। বুধবার বাঁকুড়া জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রথম রুটমার্চের দিনেই সিমলাপালে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ শুরু হয়। ঘটনায় দুপক্ষেরই বশে কয়েকজন আহত হয়েছেন। জানা গেছে, বুধবার সকালে সিমলাপাল ব্লকের বিক্রমপুর অঞ্চলের হেত্যাগাড়া গ্রামে রাজনৈতিক সংঘর্ষ দানা বাঁধে। হেত্যাগাড়া বাসট্যান্ড এলাকায় সিমলাপাল পঞ্চায়েত সমিতির স্বাস্থ্য কর্মাধক্ষ্য কাঞ্চন পালকে রাস্তায় একা পেয়ে রাস্তায় ফেলে বাস ও লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। আক্রান্ত তৃণমূল নেতার ভাই কাঞ্চন পালের অভিযোগ বিজেপির কিছু কর্মীকে দল ভাঙিয়ে তৃনমূলে যোগদান করানোয় বুধবার তার দাদাকে একা পেয়ে বিজেপি কর্মী শান্তনু দাস ও মুরলি দাস সহ বেশ কয়েকজন তার দাদার উপর বাঁশ ও লাঠি দিয়ে মারধর করে। যদিও অন্যদিকে সিমলাপাল মন্ডল-১ এর বিজেপি সভাপতি সুকান্ত ডাঙ্গর জানান তৃনমূল পরিকল্পনা করে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। আগে থেকেই ঐ এলাকায় নির্বাচন কমিশন থেকে লাগানো সিসিটিভি ক্যামেরার তার কেটে রেখেছিল তারা। তার অভিযোগ বিজেপি কর্মী শান্তনু দাসের বাবা পেশায় কীর্তন করেন। এদিন তিনি অন্য এলাকায় কাজে যাওয়ার জন্য হেত্যাগাড়া বাস স্ট্যান্ডে অপেক্ষা করার সময় কাঞ্চন পাল ও তার ভাইয়ের নেতৃত্বে তৃণমূল দুষ্কৃতিরা বিজেপি কর্মী শান্তনু দাসের বাবার ওপর চড়াও হয়। তাকে এলোপাথাড়ি মারধর করতে শুরু করলে বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকায় তার বাড়ি হওয়ায় শান্তনু ও তার স্ত্রী ছুটে গিয়ে তার বাবাকে উদ্ধার করতে যায়। বিজেপি নেতার অভিযোগ বাবাকে বাঁচাতে গিয়ে শান্তনু ও তার স্ত্রীও আক্রান্ত হন। শান্তনু দাসের স্ত্রী চম্পা দাসের শ্লীলতাহানিরও অভিযোগ তোলা হয়েছে বিজেপির তরফে। ঘটনায় বিজেপি কর্মী শান্তনু দাস ও তার বাবা মুরুলি দাস সহ সাত-আট জনের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করে তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে শান্তনু দাস ও মুরুলি দাস সহ তিন জনকে আটক করেছে সিমলাপাল থানার পুলিশ।