যার তার সাথে রাত কাটান বর্ধমানের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া ?

0
2617

সংবাদদাতা , বর্ধমান :- যুবতী সভাধিপতির ‘যার তার’ সাথে, যেখানে সেখানে রাত্রিবাসের চাঞ্চল্যকর অভিযোগকে ঘিরে সরগরম বর্ধমান শহর।

সরকারি অফিস, আদালত, বাস স্ট্যান্ড থেকে চায়ের দোকান- সর্বত্র চর্চা একটাই- ‘গ্রাম থেকে উঠে আসা, অতি সাধারণ এই মেয়েটা এরকম ? ভাবাই যায়না।’ কেউ বা বলছেন- ‘সরকারি দলের নেত্রী, ওর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগই শেষে ভুল বলে প্রমাণ করবে খণ্ডঘোষ থানা’। কারো কথায়- ‘একটা তাজা ছেলেকে এইভাবে ভালোবাসার ছলনা করে মরতে বাধ্য করলো? এও সম্ভব” আবার এমনটাও বলছেন কেউ কেউ ‘ ও তো সহজ সরল মেয়ে ছিল, জেলা পরিষদের বাস্তুঘুঘু’র ডেরায় ঠিকাদার, নেতা, আমলাদের করে খাওয়ার চক্করে পড়ে সর্বনাশ হয়ে গেল মেয়েটার।

খণ্ডঘোষ থানা এলাকার দুবরাজহাটের পবিত্র ঘোষের সাথে টানা সাত বছরের প্রেমলীলা পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া’র। সেই প্রেম ই কিনা বিষের কাঁটা হয়ে দাঁড়ালো শম্পার। আর ২৫ বছরের যুবতী শম্পা’র প্রেমের আগুনে পুড়ে ছারখার হলো পবিত্র। গত ১৩ জানুয়ারি রাত্রে মিষ্টির সাথে কীটনাশক মিশিয়ে খেল সে আর ভোর হওয়ার আগেই নিভে গেল তার জীবন দ্বীপ। তার কয়েক ঘণ্টা আগেই অবশ্য, ওই ১৩ জানুয়ারি দুপুরেই নিভে গিয়েছিল তার ভালবাসার প্রদীপ- যখন নিজের অফিস চেম্বারে ডেকে দুপাশে দুই নতুন ‘সাথী’ কে নিয়ে শম্পা পবিত্রকে মারধর, হুমকি, মোবাইল ভেঙ্গে গুড়ো করে তার মুখের ওপর। গোটা পরিবারটিই খতম করে দেওয়ার হুমকি দেয়। পবিত্র তখনই বুঝে যায়- তার স্বপ্নের নীল পরী শম্পা এখন ‘লাল পান বিবি’, বর্ধমানের সীতাভোগ। চোখের জলে ভেজা পবিত্র’র সুইসাইড নোটের পাতায় পাতায় যা লেখা আছে , তাতে স্পষ্ট বোঝা যায়- ‘পবিত্র বুঝে গিয়েছিল ওর সেই প্রেম আর পবিত্র নেই। তার স্বপ্নের পরী রাতের পর রাত উড়ে বেড়ায় এর বাড়ী তার বাড়ী!!’

শুক্রবার বর্ধমানের মুখ্য দায়রা বিচারপতি রতন কুমার গুপ্ত এজলাশে আত্মঘাতী পবিত্র’র মা যে অভিযোগ লিপিবদ্ধ করেছেন, তার ছত্রে ছত্রে একজন “ব্যভিচারী” যুবতীর রাতের পর রাত বেলেল্লাপনার যে বয়ান রয়েছে, তাতে খণ্ডঘোষের শ্যামাডাঙ্গা গ্রামের সেই কিশোরী শম্পাকে মেলানো এক্কেবারেই মুশকিল। এ কথা বলছেন শ্যামাডাঙ্গা দুবরাজহাট বা রায়না থানা এলাকার খালিনা গ্রামের মানুষ জন। খালিনাতেই থাকতেন শম্পা’র বাবা গঙ্গাঁ ধাড়া , মা ও দাদা ভাই রা । শ্যামাডাঙ্গাঁয় অবিবাহিত মাসি’র সাথে শৈশব থেকেই শম্পা ধাড়া’র বসবাস । ওই বাড়ি থেকেই তার পবিত্র’র সাথে ‘অমর প্রেম’।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here