দ্বারকেশ্বর নদীর ঘাটের কজওয়ে ডুবে বন্ধ পারাপার, বিপাকে ৫০টি গ্রামের মানুষ

0
182

সংবাদদাতা,বাঁকুড়াঃ- ভোট আসে, রাজনৈতিক দল গুলির তরফে মেলে প্রতিশ্রুতিও। কিন্তু ঐ পর্যন্তই। ভোট মিটলে প্রতিশ্রুতি পূরণে কোন উদ্যোগ চোখে পড়েনা ক্ষমতায় আসা রাজনৈতিক দল গুলিয তরফে। বিগত ৫০ বছর ধরে এই অভিজ্ঞতার সাক্ষী বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের দ্বারকেশ্বর তীরবর্ত্তী প্রকাশঘাট, হিংজুড়ি সহ প্রায় ৫০ টি গ্রামের মানুষের।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ফি বছর বর্ষার সময় দ্বারকেশ্বর নদীর প্রকাশ ঘাটের কজওয়ে জলের তলায় চলে যায়। চরম সমস্যায় পড়েন নদীর ওপারের প্রকাশঘাট, হিংজুড়ি, ছিলমপুর, কলোনী, ষাঁড়েশ্বর সহ প্রায় ৫০ টি গ্রামের মানুষ। তাদের দাবি, বর্ষায় দ্বারকেশ্বর ফুলে ফেঁপে কজওয়েটিও জলের তলায় চলে যাওয়ায় ঐ সব গ্রামের চিকিৎসা পরিষেবা, ব্যবসা বানিজ্য, কাজের খোঁজে আসা মানুষ থেকে স্কুল কলেজে আসা ছাত্র ছাত্রী প্রত্যেককেই মাত্র কয়েক কিলোমিটারের রাস্তা ২০ থেকে ২২ কিলোমিটার ঘুরে জয়কৃষ্ণপুর হয়ে বিষ্ণুপুর শহরে আসতে হয়। ফলে বর্ষার এই ক’মাস চরম সমস্যায় পড়তে হয় তাদের। আর এই সুযোগে শাসক দলকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি বিজেপি।

স্থানীয় বাসিন্দা বাসুদেব গোপ, বলেন, “গত ৫০ বছর ধরে দ্বারকেশ্বরের এই ঘাটে সেতু তৈরীর দাবি জানিয়ে আসছি কোন কাজ হয়নি। বর্ষা এলেই নদী পারাপার বন্ধ। তখন নদীতে নৌকাই ভরসা। হঠাৎ করে কেউ অসুস্থ হয়ে পড়লে চরম সমস্যায় পড়তে হয়।” বুদ্ধদেব নাগ নামে আরো এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “এই বর্ষার দিন গুলিতে ২০ কিলোমিটার ঘুরে বিষ্ণুপুরে যেতে হয়। ফলে সমস্যায় পড়তে হয় প্রায় ৫০টি গ্রামের মানুষকে। “

এবিষয়ে বাঁকুড়া জেলা তৃণমূল সভাপতি শ্যামল সাঁতরা বলেন, “ইতিমধ্যেই বেশ কিছু সেতু তৈরী হয়েছে ও হচ্ছে।” আগামী দিনে মুখ্যমন্ত্রী এই সেতু তৈরীর উদ্যোগ নেবেন বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে বিষ্ণুপুর এইডিও অনুপ কুমার দত্ত জানান, “শুনেছি সমস্যার কথা এবং আগামী দিনে দ্রুত এই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হবে।” প্রশাসনের আশ্বাসে কিছুটা হলেও স্বস্তিতে এলাকার সাধারণ মানুষ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here