চরম আর্থিক সমস্যায় বাঁকুড়া-মশাগ্রাম বিডিআর রেল পথের ৩১ জন কমিশন ভিত্তিক টিকিট বিক্রেতা

0
1040

সংবাদদাতা, বাঁকুড়াঃ- ‘করোনা’ সতর্কতায় দেশ জুড়ে ‘লক ডাউন’। বন্ধ রেল পরিষেবা। এই অবস্থায় চরম আর্থিক সমস্যায় বাঁকুড়া-মশাগ্রাম বিডিআর রেল পথের ৩১ জন কমিশন ভিত্তিক টিকিট বিক্রেতা।

১৯১৪ সালে ৩০ মার্চ বাঁকুড়া-দামোদর রিভার রেলওয়ে কোম্পানী নথীভূক্তি হওয়ার পর ১ মে লাইন তৈরীর কাজ শুরু হয়। পরে স্বাধীনতার পর ১৯৬৭ সালে জুলাই মাসে দক্ষিণ পূর্ব রেল বিডিআর অধিগ্রহণ করে। লোকসানের অজুহাত দেখিয়ে ১৯৯৫ সালে এই রেলপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে দীর্ঘ লড়াই আন্দোলনের পর ২০০৫ সালে প্রথম পর্যায়ে বাঁকুড়া-সোনামুখী ও আরো পরে ২০০৮ সালে সোনামুখী-রায়নগর ব্রডগেজ অংশটি চালু হয়। তখন থেকেই এই রেলপথে স্টেশন গুলিতে ৩১ জন কমিশন ভিত্তিক টিকিট বিক্রেতা নিয়োগ করা হয়।

দেশে ‘লক ডাউন’ পরিস্থিতিতে রেল চলাচল না করায় চরম আর্থিক দূরবস্থার মধ্যে পড়েছেন ঐ কমিশন ভিত্তিক টিকিট বিক্রেতারা। বাঁকুড়া-মশাগ্রাম রেল পথে কমিশন ভিত্তিক টিকিট বিক্রেতা স্বরুপ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ট্রেন চলাচল বন্ধ। ফলে আমাদের কোন রোজগার নেই। দিনে ১৬ থেকে ১৮ ঘন্টা কাজ করে নামমাত্র কমিশন মেলে। এই অবস্থায় সেটুকুও বন্ধ।

বেলিয়াতোড় স্টেশনের কমিশন এজেন্ট গৌতম রায়, নবান্দার নরেশ মণ্ডলরা বলেন, চরম আর্থিক সমস্যায় পড়েছি। এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আর্থিক সাহায্য তারা চাইছেন।

বিডিআর পরিবহন সমিতির সভাপতি প্রভাত গোস্বামী বলেন, রেল কর্তৃপক্ষ সবার কথা ভাবছেন, বঞ্চিত এই কমিশন ভিত্তিক টিকিট বিক্রেতারা। রাজ্য সরকার এদের কেন দায় নেবে, এরা তো রেলের কাজ করে। এই অবস্থায় ৩১ জন কমিশন ভিত্তিক টিকিট বিক্রেতাকে পথে বসতে হবে। সেকারণেই তাদের জন্য সরকারী সাহায্যের দাবী তিনি জানিয়েছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here