উপসর্গহীনরা’ই পঃ বর্ধমানে কোভিড ছড়াচ্ছেন বেশি, মত স্বাস্থ্য-কর্তাদের

0
590

বিশেষ প্রতিনিধি, আসানসোলঃ- দিবা-রাত্রী করোনা সচেতনতার প্রচার সরকারি তরফে পাঁচ মাস ধরে টানা চলছে, তা সত্বেও সংক্রমনে রাশ যে টানা যাচ্ছে না, তার মূল কারন- উপসর্গহীন রোগীদের যথেচ্ছাচার। প্রশাসনিক কর্তাদের বিশ্লেষনে এমন তথ্য উঠে আসায় এবার চিন্তার ভাঁজ পশ্চিম বর্ধমান প্রশাসনে।
“সামাজিক বয়কটের আতঙ্কেই রোগ চেপে রাখছেন উপসর্গহীন বহু মানুষ। যার জেরে আক্রান্ত হচ্ছেন অন্যরা। তাদের করোনা – টেষ্টের এই অনীহার জন্য আলাদা আলাদা ক্যাম্প করেও সুরাহা হচ্ছে না,” বললেন পশ্চিম বর্ধমানের জেলা শাসক পূর্ণেন্দু মাজি। এ জেলায় দৈনিক ২৪ টি করে নমুনা পরীক্ষার ক্যাম্প করা হচ্ছে। গত এক পক্ষকালে ১৪০০০ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। জেলা শাসক বলেন, “যতটা সম্ভব পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। মানুষকে বোঝানোর চেষ্টা ও হচ্ছে।”
এদিকে, জেলার স্বাস্থ্য অধিকর্তারা জানান, “উপসর্গহীন লোকেদের একরকম বে পরোওয়া জীবন-যাপন, যত্রতত্র অবাধ বিচরন সমস্যা বাড়াচ্ছে। শুধু শুধু তারা এরকম আচরন করে অন্যদের ভেতর রোগ ছড়াচ্ছেন।”
জেলায় স্বাস্থ্য কর্তাদের মতে, ৮৭০০ অ্যান্টিজেন টেষ্ট ও ৫৯০০-র মতো আর.টি.পি.সি. পরীক্ষা করানো হয়েছে। স্বাস্থ্য প্রশাসনের বরিষ্ঠ আধিকারিকদের মতে, “আমাদের অনুমান, এই সংখ্যক পরীক্ষা আদৌ যথেষ্ট নয়। এটি অন্ততঃ দ্বিগুণ করা দরকার এখনই।”
আসানসোল মহকুমার রানীগঞ্জ, জামুড়িয়া তেই সংক্রমনের হার বেশি। গ্রামাঞ্চলে কোভিড-১৯’র প্রাদুর্ভাব এখনো থাবা বসায়নি। তবে, বারাবনি’র কিছু কিছু এলাকায় সংক্রমন ধরা পড়ে গত মাসে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here