কারোনা আক্রান্ত দক্ষিণবঙ্গ রাজ্য পরিবহণ নিগমের চেয়ারম্যান কর্নেল দীপ্তাংশু চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রী, কতটা সুরক্ষিত দক্ষিণবঙ্গ রাজ্য পারিবহণের বাস পারিষেবা

0
531

নিজস্ব সংবাদদাতা, দুর্গাপুরঃ- প্রতিদিনই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। দৈনিক আক্রমনের সংখ্যার নিরিখে বিশ্ব তালিকায় লাগাতার শীর্ষ স্থানে রয়েছে ভারত। রাজ্যে ইতিমধ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় দু’ লক্ষ ছুঁই ছুঁই। রোজই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে কোভিড পজিটিভের সংখ্যা। এরই মধ্যে গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যের ৪ জন ভিআইপি – র করোনা আক্রান্ত হাওয়ার খবর মিলেছে। এদের মধ্যে রয়েছেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়, খাদ্য মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, রাজ্যের কৃষি উপদেষ্টা প্রদীপ মজুমদার এবং দক্ষিণবঙ্গ রাজ্য পরিবহণ নিগমের চেয়ারম্যান কর্নেল দীপ্তাংশু চৌধুরী। তাঁর স্ত্রীরও করোনা পজিটিভ বলে খবর। এদিকে আনলক ফোরে দেশের মহানগর গুলিতে মেট্রো রেল পরিষেবা শুরু হলেও লোকাল ট্রেন চলাচল বর্তমান পরিস্থিতি তে আদৌ সম্ভব কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। তাই নিত্য দিনের যাতায়াতের জন্য দেশের সাধারণ মানুষকে বাস পরিষেবার উপর নির্ভর করতে হচ্ছে। ব্যতিক্রম নয় পশ্চিম বর্ধমান জেলাও। দেশ তথা রাজ্যের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এ জেলাতেও বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। কিন্তু পেটের তাগিদে কর্মস্থলে হাজিরা দিতেই হচ্ছে বহু সাধারণ মানুষকে। আর তাঁর জন্যে সরকারি বা বেসরকারি বাস পরিষেবাই বেশীরভাগ মানুষের একমাত্র ভরসা। তবে বেসরকারি বাসের সংখ্যা সীমিত হাওয়ায় সরকারি বাসই ভরসা। কিন্তু সরকারি বাস পরিষেবা আদপে কতটা নিরাপদ তা নিয়ে রীতিমতো শঙ্কিত জেলা তথা দুর্গাপুর আসানসোল শিল্পাঞ্চলের যাত্রীরা। বিশেষত সরকারি বাস সংস্থার চেয়ারম্যান ও তাঁর স্ত্রীর করোনা আক্রান্ত হাওয়ার খবরে সাধারণের মধ্যে আতঙ্ক আরও বেড়েছে। ইতিমধ্যেই ওই দম্পতিকে দুর্গাপুর থেকে মুকুন্দপুরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। যদিও সরকারি বাস সংস্থার তরফে দাবি করা হয়েছে সমস্তরকম সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাস জীবাণুনাশক করা থেকে শুরু করে কনডাক্টর ও চালকও সবরকম সতর্কতা বিধি মেনে চলছেন। মূলত আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি, কাশি বা শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে এই করোনার জীবাণু ছাড়িয়ে পরে। তাই বিশেষজ্ঞদের মতে মাস্ক পড়া ও দূরত্ব বিধি মেনে চালাই এই রোগ থেকে দূরে থাকার একমাত্র উপায়। কিন্তু বাসে সেই দূরত্ববিধি মেনে যাতায়াত কতটা সম্ভব তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। যাত্রীদের দাবি অনেক ক্ষেত্রেই তা মানা হচ্ছে না। তাই জীবনের ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে বলে দাবি অনেকেরই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here