আরও দু’বছর চলবে করোনা আবহ, এখনই নিতে হবে মানসিক প্রস্তুতি

0
239

এই বাংলায় ওয়েব ডেস্কঃ- মারণ ভাইরাসের হাত থেকে এখনই নিস্তার মিলছে না। আরও অন্তত দু’বছর চলবে এই করোনা আবহ। সেইমতো স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা ও নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপনের মানসিক প্রস্তুতি এখনই নিয়েো নিতে হবে সকলকেই। এমনটাই জানাচ্ছেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)এর অন্যতম প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্যা স্বামীনাথন। তাঁর মতে পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার প্রায় ১০% সংক্রমিত হবেন করোনা ভাইরাসে। প্রসঙ্গত আগামী বছরের মাঝামাঝি থেকেই ভ্যাকসিন মিলতে পারে বলে আশা জাগাচ্ছে বিজ্ঞানী মহল। কিন্তু ভারতের মতো বিপুল জনসংখ্যার দেশে সমস্ত মানুষের কাছে ভ্যাকসিন পৌঁছে দিতে অন্তত দু’বছর সময় লাগতে পারে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে। কারণ এই জনসংখ্যার তুলনায় ভ্যাকসিন উৎপাদনের হার সীমিত। ফলে প্রাথমিক পর্বে যে সমস্ত মানুষের সংক্রমণ ও প্রাণনাশের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি অর্থাৎ বয়স্ক, করোনা যোদ্ধাদের মতো ব্যক্তিদের ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষ বর্ধনের দাবি, করোনার ভ্যাকসিন বাজারে এলে তা প্রত্যন্ত এলাকায় পৌঁছে দেওয়ার ‘মাস্টার প্ল্যান’ তৈরি। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০-২৫ কোটি মানুষকে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। অন্যদিকে সিরাম ইনস্টিটিউটের সিইও আদর পুণাওয়ালা সোমবার এক অনুষ্ঠানে বলেছেন করোনা ভ্যাকসিনেশনের প্রাথমিক চ্যালেঞ্জ হল সমস্ত প্রস্তুতকারী সংস্থাকে এককাট্টা হয়ে ভ্যাকসিন তৈরিতে শামিল করা। তাঁর মতে, প্রতিটি সংস্থাকে নিজের দেশের জন্য অর্ধেক এবং বাকি বিশ্বের জন্য অর্ধেক ভ্যাকসিন তৈরির লক্ষ্য নিতে হবে। এবং টিকার দাম সাধ্যের মধ্যে রাখাও একটা বড় চ্যালেঞ্জ। তবে ফেব্রুয়ারিতে উপসর্গযুক্ত সংক্রমণের হার তলানিতে ঠেকতে পারে বলে মত দিয়েছিলেন বিশেষজ্ঞেরা। সেই সূত্র ধরেই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন আগামী ফেব্রুয়ারিতে অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা কমে দাঁড়াবে ৪০ হাজারের কাছাকাছি। অতএব আরও তিন থেকে চার মাস স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে করোনার প্রভাব অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here