কয়লা বোঝাই ওয়াগনে যুবকের পচা-গলা দেহ

0
594

সংবাদদাতা, মেজিয়াঃ- কয়লা বোঝাই ওয়াগনে যুবকের পচা-গলা দেহ। তাও আবার বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভিতরে। এই নিয়ে শনিবার ভোররাত থেকে তীব্র চাঞ্চল্য বাঁকুড়ার মেজিয়ায়। এদিন ভোরে পুলিশ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ভেতর থেকে অজ্ঞাত পরিচয় ওই যুবকের দেহ উদ্ধার করে, ময়না তদন্তের জন্য বাঁকুড়া সন্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়।
দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশনের মেজিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি হল পূর্বাঞ্চলের বৃহত্তম বিদ্যুৎ প্রকল্প। এই বিদ্যুৎ প্রকল্পের কয়লা আসে রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ই.সি.এল এবং উড়িষ্যার সরকারি মহানদী কোলফিল্ডস (এম.সি.এল) থেকে। মূল পরিবহন টিই হয় রেলের ওয়াগনের মাধ্যমে।


এদিন রাত ২.৩০ টা নাগাদ মহানদী কোলফিল্ডসের একটি কয়লা বোঝাই রেক ঢোকে মেজিয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রে। “খনি থেকে আসা কয়লা বোঝাই রেকটি আন লোডিং করার সময় আমাদের শ্রমিকরা আচমকাই দেখেন কয়লার চাঙ্গঁরের সাথে একটি মানুষের দেহ হপারে এসে পড়েছে। সাথে সাথেই কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়। খবর দেওয়া হয় পুলিশকেও”, জানালেন মেজিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মুখ্য বাস্তুকার নিখিল চৌধুরী। তিনি বলেন, “পুলিশ এসে দেহটি উদ্ধার করে নিয়ে যায়”।
লাল রঙের টি-শার্ট পরা যুবকের দেহটিতে ইতিমধ্যেই পচন ধরেছিল। মেজিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিকেরা জানান, ‘মনে করা হচ্ছে যুবকের বয়স ছিল ২৮ থেকে ৩০ বছর। তাকে উড়িষ্যারই কোনো জায়গায় খুন করে কয়লার ওয়াগনে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে’।


খুন করে দেহ কয়লা বোঝাই ওয়াগনে চাপিয়ে পাচার করার ঘটনা অবশ্য এই প্রথম ন্য। সংস্থার এক আধিকারিক এদিন জানান, “২০০৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত মেজিয়ায় তিনটি এরকম ঘটনার কথা আমরা জানি”। পাশাপাশি, পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং দুর্গাপুর প্রজেক্টস লিমিটেডও গত কয়েক বছরে এভাবেই বেশ কয়েকটি দেহ উদ্ধার হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here