জলবাহক নাকি চিকিৎসকঃ সঠিক চিকিৎসা নিয়ে সন্দিহান ভুক্তভোগীরা

0
423

সংবাদদাতা, বাঁকুড়াঃ- যে জল বয়, সে চিকিৎসাও করে। কথাটা শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। তাহলে বিষয়টা পরিস্কার করেই বলা যাক। বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর শহরের কলেজ রোডে প্রাণী সম্পদ বিকাশ বিভাগের একটি পশু চিকিৎসা কেন্দ্র রয়েছে। যেখানে দু’জন চিকিৎসক, একজন ফার্মাসিস্ট ও একজন অলিখিত চিকিৎসক রয়েছেন। কিন্তু চিকিৎসকরা প্রায়শই হাসপাতালে অনুপস্থিত থাকেন বলে রয়েছে অভিযোগ। তবে আজ দুজন চিকিৎসকের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন না কেউ-ই। আর সেই সময়ে ফার্মাসিস্ট ও হাসপাতালের জলবাহক অসুস্থ পোষ্যদের ইঞ্জেকশান সহ অন্যান্য চিকিৎসা করেন বলে অভিযোগ। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই সোমবার দুপুরে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে ঐ হাসপাতালে। খবর পেয়ে ঐ হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেল চিকিৎসক অনুপস্থিত। ফোনে তাকে ধরা হলে কার্যত জলবাহকের চিকিৎসা সহ ইঞ্জেকশানও তিনি দিতেন বলেও স্বীকার করে নেন। ডক্টর মৃণাল কান্তি দে-র আজ ডিউটি থাকলেও তিনি অনুপস্থিত থাকায় তাঁকে ফোনে প্রশ্ন করা হলে তিনি ঘটনার কথা স্বীকার করে নেন এবং বলেন, মাঝেমধ্যে পর্ষদের ট্রিটমেন্ট এর কথা চিন্তা করে এবং তাদেরকে বাঁচিয়ে তুলতে আমাদের কেও অনুপস্থিত থাকলে ফার্মাসিস্ট ও অলিখিত চিকিৎসকদের চিকিৎসা করতে হয় তবে তিনি আজ ডিউটি আওয়ার এর মধ্যে বাঁকুড়াতে বিশেষ কাজে গিয়েছেন বলেই জানান। দেব মাল্য রাহা নামে এক কুকুরের মালিক বলেন, ‘আমার কুকুরের শরীর খারাপ আমি চার দিন ধরে ঘুরে বেড়াচ্ছি ডাক্তারকে পাচ্ছিনা। এখানে যিনি ফার্মাসিস্ট রয়েছেন এবং অস্থায়ী স্টাফ রয়েছেন তিনি কুকুরকে চিকিৎসা করছেন এমনকি স্যালাইন পর্যন্ত দিচ্ছেন। এমতাবস্থায় কুকুরের কিছু হয়ে গেলে এর জন্য দায়ী কে হবে’। এ বিষয়ে ফার্মাসিস্ট কে জিজ্ঞাসা করা হলে ক্যামেরার সামনে সেই অর্থে তিনি কিছুই বলেননি। তবে চিকিৎসার জন্য কোন পশুকে নিয়ে আসা হলে তার নলেজে যতোটুকু আছে তিনি সেই মোতাবেক চিকিৎসা করেন বলেই জানান। এবিষয়ে মহকুমাশাসক কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here