কাটোয়া জুড়ে ডেপুটি সুপারের বিকৃত যৌনতার জব্বর চর্চা ‘ডক্টরস ডে’ তেও

0
528

বিমান পন্ডিত, কাটোয়াঃ- ঘুমের বড়ি খেয়ে আত্মহত্যার নাটক করেও যৌন কেচ্ছা চাপা দিতে পারছেন না এখানকার মহকুমা হাসপাতালের ডেপুটি সুপার। গতকাল দুপুর থেকে ডক্টর ডের প্রাকাল্লে দফায় দফায় তার হরেক যৌন- কেলেঙ্কারির মুখরোচক কিস্যায় সরগরম কাটোয়া শহর তো বটেই, লাইক-শেয়ারে হু হু করে বাড়ছে সোস্যাল মিডিয়ায় চর্চা। সামনে আসছে একাধিক যৌন-লালসার ঘটনা।
বর্ধমান থেকে কয়েকমাসের জন্য কাটোয়া হাসপাতালে আসা একজন নার্সিং স্টাফের সাথে তার ঘনিষ্ঠ ছবি সোমবার রাত্রে ভাইরাল হয়ে যায়। মাত্র ৫৩ সেকেন্ডের ওই ভিডিওয় পরিস্কার দেখা যাচ্ছে- হাসপাতালের ডেপুটি সুপার (নন মেডিক্যাল) অনন্য ধর বছর ৪৫-র ওই নার্সকে জড়িয়ে ধরছেন, তার পায়ের কাছে বসে পড়ে ওই নার্সের শাড়ী তুলে দিচ্ছেন। অনন্য পরে আছেন ক্রীম কালারের হাফ সোয়াটার আর নার্স লাল ছাপানো শাড়ী এবং কোনোরকম বাধাও দিচ্ছেন না। “এর থেকেই বোঝা যাচ্ছে, দু জনেই এই ঘনিষ্ঠতায় অভ্যস্ত ছিলেন। আমরা গোটা বিষয়টি তদন্তের জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গড়েছি। শিঘ্রই তারা রিপোর্ট দেবে”, বললেন হাসপাতালের রোগী কল্যান সমিতির চেয়ারম্যান ও কাটোয়ার বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “অনেক কথাই তো এখন কানে আসছে। সব খতিয়ে দেখতে হবে। ওই ভিডিওটার ফরেন্সিক পরীক্ষাও দরকার। মহকুমা শাসক আলাদা একটি তদন্ত করছেন”।
গতকালই অনন্য গোটা পরিস্থিতির মোড় ঘোরাতে ঘুমের বড়ি খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। গোড়ায় বলা হয় ১২ টি বড়ি একসাথে খেয়েছেন, পরে হাসপাতাল সূত্রে জানা যায় ৪ টি বড়ি খেয়েছেন। হাসপাতালের সুপার ডাঃ রতন শাসমল বলেন, “ওনার শারিরিক অবস্থা স্থিতিশীল। আমি ঘটনা নিয়ে একটি প্রাথমিক রিপোর্ট জেলার মুখস্বাস্থ্য আধিকারিকের কাছে পাঠালাম।”

এদিকে গতকাল থেকেই অনন্য’র নজিরবিহীন বিকৃত যৌনলালসার কথা কাটোয়া পুরশহর জুড়ে দাবালনের মত ছড়াতে থাকে। জানা যায়, হাসপাতালের নির্জন ঘরগুলিতেই চলত তার বিকৃত যৌন জীবন। যে ভিডিও ফুটেজটি ‘লিক’ হয়েছে, সে সম্পর্কে হাসপাতাল সুপার ডঃ শাসমল বলেন,”ছবিতে যে ঘরটি দেখা যাচ্ছে , সেটি আমাদের হাসপাতালের প্রশাসনিক ভবনের এক তলায় একটি ঘর। সেখানে সিসিটিভি আছে। এটি তারই ফুটেজ। ঘটনাটি সামনে আসার পর আমি অনন্যবাবুর সাথেও কথা বলেছিলাম।

আরও জানা গেছে,- হাসপাতালের ফাঁকা ঘরে ডেকে মহিলা স্বাস্থ্যকর্মীর তিনি নাকি যৌন সংসর্গে বাধ্য করতেন। এমনকি ঠিকায় নিযুক্ত বা বিশেষ প্রকল্পের কাজে আশা যুবতীরা বেশির ভাগ সময় তার বিকৃত যৌনতার শিকার হতেন।

অনন্য আদতে কাটোয়া শহরেরই বাসিন্দা। তাই, তার এমন কীর্তি প্রকাশ্যে আসায় মাথা হেঁট হয়েছে শহরের, বলে মনে করছেন শহরের বিভিন্ন দলের একাধিক রাজনৈতিক নেতা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here