সিঙ্গাপুরের ধাঁচে ‘নগরবন’ এবার শহর দুর্গাপুর, বিষ্ণুপুরে

0
593

মনোজ সিংহ, দুর্গাপুরঃ- সিঙ্গাপুরের আদলে বনাঞ্চল এবার শহর দুর্গাপুরের বুকেই। জুন মাসেই দুর্গাপুরে নতুন বনাঞ্চল গড়ার কাজ শুরু করতে চলেছে দুর্গাপুর বনবিভাগ। ইতিমধ্যেই তৈরিও হয়ে গেছে ডি.পি.আর (বিস্তারিত প্রকল্প রিপোর্ট)। বনবিভাগ সূত্রেই জানা গেছে এ রাজ্যের মধ্যে ‘নগরবন’ প্রকল্পে রাখা হয়েছে দুর্গাপুর আর বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর শহরকে। প্রতিটি নগরবনের জন্য খরচ ধরা হয়েছে এক কোটি টাকা করে।

বনাঞ্চল সবাধারণঃ গ্রামাঞ্চলের অলংকার। গ্রাম লাগোয়া বন বা গভীর জঙ্গলের ভেতর দিয়েই গ্রামে যাওয়ার মূল রাস্তা-এসবই গ্রামবাংলার চিরকালীন ঐতিহ্য। সেই মিথ্ ভেঙে এবার শহরের দুয়ারেই গড়ে উঠতে চলেছে নগরবন। কেন্দ্র সরকারের পরিবেশ ও বন মন্ত্রক ২০২০ সালেই নগরবন প্রকল্পের কথা ঘোষণা করে। দেশের ২০০টি শহরকে বাছাই করে ৪১৫ কোটি টাকা খরচ করে পাঁচ বছরের মধ্যে এই ‘নগরবন’গুলি গড়ে তোলার কথা। এরাজ্যের দুর্গাপুর আর বিষ্ণুপুর ওই তালিকায় জায়গা পায়। সিঙ্গাপুর আর ব্যাঙ্ককের আদলেই এমন নগরবন গড়া হচ্ছে। শিল্পায়ন আর নগরায়নের ধাক্কায় এই দুই শহরে বিপজ্জনক গতিতে কমছে সবুজের হার, তাই এই দুটি শহরকেই বেছে নিয়েছে কেন্দ্র। রাজ্য বনদপ্তর যদিও নয়ের দশক থেকেই দুর্গাপুরে সামাজিক বনসৃজন প্রকল্প চালিয়ে আসছে, কিন্তু একশ্রেণির জমি মাফিয়া, রাজনৈতিক নেতা আর বনদপ্তরেরই এক শ্রেণির অসাধু কর্মীর যোগসাজসে নির্বাচারে লুঠ হয়ে আসছে বনাঞ্চল। দুর্গাপুরে বনাঞ্চল ধ্বংসের বিষয়ে একটি মোকদ্দমা ইতিমধ্যেই গ্রীন ট্রাইব্যুনালে ঝুলছে। নগরবন প্রকল্প নিয়ে দুর্গাপুরের বিভাগীয় বনাধিকারিক নীলরতন পাণ্ডা বলেন, ” জুন মাসেই পুরোপুরি শুরু হয়ে যাবে নগরবনের কাজ। দুর্গাপুরের পারুলিয়ায় ২৫ হেক্টর জমিতে গড়ে উঠছে এই বন। বিষ্ণুপুরে নগরবনের জন্য নির্ধারিত করা হয়েছে ২০ হেক্টর জমি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here