আউশগ্রামে তৃণমূল নেতা খুনের ঘটনায় গ্রেফতার দুর্গাপুরের শ্যুটার

0
528

সংবাদদাতা, পূর্ব বর্ধমানঃ- পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামে তৃণমূল নেতা খুনের ঘটনায় আরও দু’জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ধৃত ইমরান কুরেশি দুর্গাপুরের ও শের আলী বীরভূমের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর ধৃত ইমরান কুরেশি ও শের আলী দুজনেই মূলত শ্যুটার। চঞ্চল বক্সী খুনের ঘটনায় এই নিয়ে মোট ৮জন গ্রেফতার হল।

এর আগে বৃহস্পতিবার ঝাড়খণ্ডের জামতারা থেকে মোঃ ইমতিয়াজ ও মোঃ পাপ্পু কে গ্রেফতার করে পুলিশ। মোবাইলের টাওয়ারের লোকেশনের সূত্র ধরে আউশগ্রাম থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী, ঝাড়খণ্ড পুলিশের সহযোগিতায় ওই দুজনকে গ্রেফতার করে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই এই দুই শ্যুটারের সন্ধান পায় পুলিশ। এর পরই দুটি এলাকায় আউশগ্রাম থানার পুলিশ গিয়ে দু’জনকে গ্রেফতার করে।

প্রসঙ্গত গত ৭ই সেপ্টেম্বর দুপুরে দলীয় কর্মীর বাড়ি থেকে একটি অনুষ্ঠান সেরে মোটর সাইকেলে করে বাড়ি ফিরছিলেন বুদবুদের দেবশালা গ্রমের বাসিন্দা তৃণমূল নেতা চঞ্চল বক্সী। মোটর সাইকেলের পিছনে ছিলেন তারা বাবা দেবশালা গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান শ্যামল বক্সী। গেরাই অঞ্চল পার করে বুদবুদের ভাতকুন্ডা এলাকার আগে রাস্তার মাঝে জঙ্গলে মোটরসাইকেলে করে এসে চঞ্চল বক্সীকে ৫টি গুলি করে দুষ্কৃতীরা। দুটি গুলি লক্ষভ্রষ্ট হয় এবং ৩টি গুলি লাগে চঞ্চল বক্সীর গায়ে। ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন তিনি। খবর পেয়ে দলীয় কর্মীরা তাকে উদ্ধার করে জামতারা ব্লক হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। এর পরই ক্রমশ উত্তপ্ত হতে শুরু করে গোটা দেবশালা গ্রাম। গ্রামের মানুষদের দাবি ছিল অপরাধীদের কঠোরতম শাস্তি। ঘটনার দু’দিন পরেই পরিবারের সাথে দেখা করেন বীরভূম জেলার তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। তিনি গ্রামবাসীদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ১৫ দিনের মধ্যে অপরাধীরা যদি ধরা না পড়ে, তবে চরম খেলা খেলবেন । পাশাপাশি যদি দলের কেউ অপরাধী হয় তবে তাকে গুলি করে মারা উচিৎ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

যদিও ঘটনার দিন থেকেই তদন্তে নামে আউশ গ্রাম থানার পুলিশ। তদন্তে নেমে সন্দেহভাজনদের তালিকা তৈরি করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। তার পরেই এক এক করে গ্রেফতার শুরু হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here