“ভূতের মুখে রাম নাম”-ডিভিসি নাকি লাভের পথে !

0
1180

নিউজ ডেস্ক, এই বাংলায়ঃ এও সম্ভব? দীর্ঘ কয়েক বছরের লোকসান সামলে অবশেষে লাভের মুখ দেখছে ডিভিসি? অবাস্তব লাগলেও এমনটাই সর্বসমক্ষে জানালেন ডিভিসির মেম্বার সেক্রেটারি প্রবীর কুমার মুখোপাধ্যায়। রবিবার বাঁকুড়ার মেজিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৭২ তম প্রতিষ্ঠা দিবস অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এমনই তথ্য তুলে ধরলেন তিনি। তিনি জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাপক লোকসানের মুখে চলা রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্থা ডিভিসি চলতি আর্থিক বছরের শেষ দুমাসে লাভের মুখ দেখতে শুরু করেছে। ডিভিসির দাবি অনুযায়ী, বর্তমানে পূর্বভারতের বৃহত্তম তাপবিদ্যুৎ উৎপাদন সংস্থা হল ডিভিসি। কিন্তু পশ্চিম বর্ধমানের অণ্ডাল, পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর ও ঝাড়খণ্ডের কোডার্মায় একসঙ্গে তিনটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র তৈরীর কাজ এক সাথে চলার ফলে গত কয়েক বছরে ডিভিসি ক্রমাগত ক্ষতির মুখ দেখছিল বলে মতপ্রকাশ করেছেন প্রবীর কুমার মুখোপাধ্যায়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে তিনি জানান, অণ্ডাল ও কোডার্মা দুটি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে ইতিমধ্যেই উৎপাদন শুরু হলেও জমি জটে থমকে রয়েছে রঘুনাথপুর তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন। তাই নতুন দুই কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন চালু হতেই লোকসান সামলে ক্রমশ লাভের দিকে এগোচ্ছে ডিভিসি, মত তাঁর। পাশাপাশি তিনি এও জানান, তাপবিদ্যুৎ উৎপাদনের পাশাপাশি ১২০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের অনুমতিও ইতিমধ্যে লাভ করেছে ডিভিসি। প্রাথমিক ধাপে পাঞ্চেতে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ তৈরীর কাজ শুরু হওয়ার অপেক্ষায়। উল্লেখ্য, ১৯৪৮ সালের ৭ই জুলাই কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমোদন লাভ করে ডিভিসি। তারপর থেকে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে আসছে এই সংস্থাটি। দেশের গণ্ডী ছাড়িয়ে সম্প্রতি প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশও ডিভিসি বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। রবিবার ডিভিসির এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডিভিসির মেম্বার সেক্রেটারি প্রবীর কুমার মুখোপাধ্যায়, ফাইনান্স কমিটির সদস্য এস. হালদার, মানব সম্পদ উন্নয়ন দপ্তরের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর অশোক কুমার ভার্মা, মেজিয়া তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের চিফ ইঞ্জিনিয়ার চন্দ্রশেখর ত্রিপাঠী প্রমুখ।