ভিলেন বৃষ্টি কে পরাজয়ে রবিবার শ্যামা মায়ের আরাধনায় মুর্শিদাবাদে শেষ মুহুর্তের প্রস্তুতি চরমে

0
433

সংবাদদাতা, মুর্শিদাবাদ:-

ভিলেন বৃষ্টি কে হার মানিয়ে রবিবার শ্যামা মায়ের আরাধনার আগে মুর্শিদাবাদ জেলার উত্তর-দক্ষিণ সর্বত্র একাধিক পুজো উদ্যোক্তা থেকে ডেকরেটাররা একত্রিত হয়ে কাজে ঝাঁপিয়ে পড়লেন শেষ মুহূর্তে।তাই প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্ধ হয়ে থাকা পুজো মণ্ডপ গুলি শনিবার সন্ধ্যা থেকে কাজ শুরু করলেও কান্দির যে বিগ বাজেটের বেশ কিছু পুজো মণ্ডপের উদ্বোধন হওয়ার কথা ছিল, তাদের দুশ্চিন্তা সবচেয়ে বেশি। শেষ মুহূর্তে আদৌ কাজ শেষ হবে কিনা তা ভেবে তারা কুলকিনারা পাচ্ছে না। অনেকে উদ্বোধন পিছিয়ে দেওয়ার ভাবনাচিন্তা করছে। বৃষ্টির জেরে অনেক জায়গায় মণ্ডপের ক্ষতি হয়েছে। উদ্যোক্তাদের সব পরিকল্পনায় ভেস্তে গিয়েছে।এবছর জেলার চন্দ্রযান ২, কোথাও কেদারনাথ,আদলে মণ্ডপ তৈরি হয়েছে। জেলার সর্বত্র সাংস্কৃতির অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। দুর্যোগ না কাটলে অনুষ্ঠানও করা যাবে না বলে সংশয় প্রকাশ করেছেন উদ্যোক্তারা। কান্দির বাজার পাড়া এলাকার একটি পুজো উদ্যোক্তা তপন দাস বলেন, মণ্ডপের সামনে এক হাঁটু জল জমে গিয়েছে।শনিবার বিকেলে উদ্বোধনের কথা ছিল কিন্তূ এখন কি করবো জানিনা।”। অন্যান্য পুজো উদ্যোক্তাদেরও দাবি। তাঁরা বলেন, দুর্গাপুজোয় দুর্যোগ হওয়ায় আশা করা গিয়েছিল কালীপুজো ভালোভাবে কাটবে। কিন্তু এই পুজোতেও একই অবস্থা। অনেকে মণ্ডপের কাজ শেষ করতে পারবে না। কান্দির পুজো উদ্যোক্তাদের দাবি, বৃষ্টির কারণে বাঁধা যাচ্ছে না তোরণ। আলোকসজ্জার কাজও থমকে গিয়েছে। শনিবার সন্ধ্যার মধ্যে প্যান্ডেলের কাজ শেষ করা নিয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন প্যান্ডেলের কর্মীরা। কান্দি মহকুমার গোকর্ণ, এড়োয়ালি ও পাঁচথুপি গ্রামে কালীপুজোয় ব্যাপক উন্মাদনা দেখা দেয়। গোকর্ণের ডোমকালী পুজো কমিটির সদস্য বলেন, যেভাবে বৃষ্টি শুরু হয়েছে তাতে তোরণ বাঁধা হয়নি এখনও। সন্ধ্যা থেকে গ্রাম আলোয় ঢেকে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বৃষ্টির কারণে কাজ করা যাচ্ছে না”। এদিকে কান্দির প্রতিমা শিল্পীরাও সমস্যায় পড়েছেন।

ভিলেন বৃষ্টি কে হার মানিয়ে রবিবার শ্যামা মায়ের আরাধনার আগে মুর্শিদাবাদ জেলার উত্তর-দক্ষিণ সর্বত্র একাধিক পুজো উদ্যোক্তা থেকে ডেকরেটাররা একত্রিত হয়ে কাজে ঝাঁপিয়ে পড়লেন শেষ মুহূর্তে।তাই প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্ধ হয়ে থাকা পুজো মণ্ডপ গুলি শনিবার সন্ধ্যা থেকে কাজ শুরু করলেও কান্দির যে বিগ বাজেটের বেশ কিছু পুজো মণ্ডপের উদ্বোধন হওয়ার কথা ছিল, তাদের দুশ্চিন্তা সবচেয়ে বেশি। শেষ মুহূর্তে আদৌ কাজ শেষ হবে কিনা তা ভেবে তারা কুলকিনারা পাচ্ছে না। অনেকে উদ্বোধন পিছিয়ে দেওয়ার ভাবনাচিন্তা করছে। বৃষ্টির জেরে অনেক জায়গায় মণ্ডপের ক্ষতি হয়েছে। উদ্যোক্তাদের সব পরিকল্পনায় ভেস্তে গিয়েছে।এবছর জেলার চন্দ্রযান ২, কোথাও কেদারনাথ,আদলে মণ্ডপ তৈরি হয়েছে। জেলার সর্বত্র সাংস্কৃতির অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। দুর্যোগ না কাটলে অনুষ্ঠানও করা যাবে না বলে সংশয় প্রকাশ করেছেন উদ্যোক্তারা। কান্দির বাজার পাড়া এলাকার একটি পুজো উদ্যোক্তা তপন দাস বলেন, মণ্ডপের সামনে এক হাঁটু জল জমে গিয়েছে।শনিবার বিকেলে উদ্বোধনের কথা ছিল কিন্তূ এখন কি করবো জানিনা।”। অন্যান্য পুজো উদ্যোক্তাদেরও দাবি। তাঁরা বলেন, দুর্গাপুজোয় দুর্যোগ হওয়ায় আশা করা গিয়েছিল কালীপুজো ভালোভাবে কাটবে। কিন্তু এই পুজোতেও একই অবস্থা। অনেকে মণ্ডপের কাজ শেষ করতে পারবে না। কান্দির পুজো উদ্যোক্তাদের দাবি, বৃষ্টির কারণে বাঁধা যাচ্ছে না তোরণ। আলোকসজ্জার কাজও থমকে গিয়েছে। শনিবার সন্ধ্যার মধ্যে প্যান্ডেলের কাজ শেষ করা নিয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন প্যান্ডেলের কর্মীরা। কান্দি মহকুমার গোকর্ণ, এড়োয়ালি ও পাঁচথুপি গ্রামে কালীপুজোয় ব্যাপক উন্মাদনা দেখা দেয়। গোকর্ণের ডোমকালী পুজো কমিটির সদস্য বলেন, যেভাবে বৃষ্টি শুরু হয়েছে তাতে তোরণ বাঁধা হয়নি এখনও। সন্ধ্যা থেকে গ্রাম আলোয় ঢেকে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বৃষ্টির কারণে কাজ করা যাচ্ছে না”। এদিকে কান্দির প্রতিমা শিল্পীরাও সমস্যায় পড়েছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here