আগামীকাল বিশ্বকর্মা পুজো কিন্তু ফলের দোকানে দেখা নেই খরিদ্দারের আর্থিক সমস্যায় দোকানদাররা

0
465

সংবাদদাতা, বাঁকুড়া ও কাঁকসাঃ- করোনা আবহের মধ্যে আগামীকাল বিশ্বকর্মা পূজোতে ঢাকে কাঠি পড়বে। প্রতিবছরই পুজোর আগের দিন বাজারে পা ফেলার জায়গা থাকে না দুটো বাড়তি পয়সার মুখ দেখতে পান ফল বিক্রেতারা। কিন্তু এবছর সব যেন ওলটপালট করে দিয়েছে নোবেল করোনা ভাইরাস। এবছর ফলের আমদানি থাকলেও সেই অর্থে বেচাকেনা নেই বললেই চলে। কেননা বাজার ঘাটে অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর লোকের আনাগোনা খুবই কম যতটুকু ফল কেনা প্রয়োজন ততটুকুই কিনছেন কেননা করোনার কবলে পড়ে সকলের পকেটে এবছর টান ধরেছে। তাই ইচ্ছে থাকলেও বাড়তি কেনাকাটা করার কোন উপায় নেই। এক ফল ক্রেতা বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর ফলের দাম অনেকটাই কম রয়েছে সবজির দামও অর্ধেক কমে গিয়েছে ফলে আমরা আর্থিকভাবে অনেকটাই উপকৃত হয়েছি। এক দোকানদার বলেন, অন্যান্য বছর এমন সময় খরিদ্দার সামলাতে হিমশিম খেতে হয় কিন্তু এবছর খরিদ্দারের দেখা নেই ফলে আমাদের কে আর্থিকভাবে ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে।

অন্যদিকে, রাত পোহালেই বিশ্বকর্মা পুজো। আর বিশ্বকর্মা পুজোর আগেই পানাগড়ে ফলের বাজারে আগুন। গত কয়েকদিন ধরে ফলের দাম এতটাই বেড়েছে যে বিশ্বকর্মা পুজোর বাজেটে কাটছাটের পর ফলের বাজেটেও কাটছাট করতে হোচ্ছে পুজো উদ্যোক্তাদের। ব্যাবসায়ীরা জানিয়েছেন বুধবার ফলের দাম ছিলো পানাগড়ে পুজোর কলা ৫০ টাকা ডজন,নারকেল ৫০টাকা থেকে ৬০টাকা প্রতি পিস, আপেল ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি,শসা ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি,ন্যাসপাতি ১৮০টাকা প্রতি কেজি, বাতাবি লেবু ৫০ থেকে ৬০টাকা কেজি, পুজোর ডাব ৪৫ থেকে ৫০ টাকা প্রতি পিস।
ব্যাবসায়ীরা আরও বলেন অন্যান্ন বছরের তুলনায় এবছর অনেকটাই দাম বেশি কেজি প্রতি প্রায় ২০ থেকে ৩০টাকা দাম বেড়েছে সবকিছুরই। অপর দিকে পুজো উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন করোনার জেরে কাজ বন্ধ মানুষের পকেটে তেমন টাকা পয়সা নেই। তার উপর পুজোর সামগ্রীর দামের সাথে ফলের দাম যে ভাবে বেড়েছে তাতে পুজো করা সম্ভব নয়। আগে যেখানে এক কেজি কিনতে হতো সেখানে এখন ৫০০ গ্রাম কিনে নিয়ম রক্ষা করতে পুজো পার করতে হোচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here