লকডাউনে পর্যটকের অভাবে আর্থিক সংকটে দিন কাটছে বিষ্ণুপুরের টেরাকোটা শিল্প ব্যবসায়ীদের

0
585

সংবাদদাতা, বাঁকুড়াঃ- এই মুহূর্তে গোটা বিশ্বের আকাশে বাতাসে আতঙ্কের আরেক নাম নোবেল করোনা ভাইরাস। এই ভাইরাস প্রতিরোধের জন্য দেশজুড়ে চলছে লকডাউন। তাই বলতে গেলে গোটা দেশ গৃহবন্দী। আর এই কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে সাধারণ মানুষের নীল আকাশে উড়ে বেড়ানো চাওয়া-পাওয়াগুলো এক নিমেষে শেষ হয়ে গিয়েছে। সমস্যায় পড়তে হয়েছে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, দিন আনা দিন খাওয়া সাধারণ মানুষজনকে। যদিও রাজ্য সরকার এই সমস্ত মানুষগুলোর পাশে লকডাউন এর প্রথম দিন থেকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। এই যেমন বাঁকুড়া জেলার প্রাচীন ঐতিহ্য মন্ডিত স্থান বিষ্ণুপুর। বিষ্ণুপুর মল্ল রাজাদের রাজধানী, টেরাকোটা শিল্প গোটা বিশ্বের দরবারে সমাদৃত। দেশ-বিদেশের পর্যটকরা সারা বছর বিষ্ণুপুর শহরে ভিড় জমান এই মেলা দেখার জন্য। পর্যটনের ওপর নির্ভর করে এই শহরের অনেক মানুষ রয়েছেন যারা সারা বছর সংসার চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ উপার্জন করে থাকেন। এই যেমন টেরাকোটা বিভিন্ন মূর্তি বিক্রি করে শ’খানেক দোকান মালিক রয়েছেন যাদের সারা বছরের অর্থ উপার্জন হয় এই দোকান থেকেই । কিন্তু দেশজুড়ে লকডাউন শুরু হওয়ায় কারনে মন্দির নগরী বিষ্ণুপুর পর্যটন কেন্দ্র একেবারে ফাঁকা। পর্যটকদের দেখা নেই বললেই চলে। ফলে দোকানে টেরাকোটার তৈরী বিভিন্ন পসরা সাজিয়ে বসলেও কোন বিক্রিবাটা নেই। স্বাভাবিকভাবেই আর্থিক সংকটে পড়তে হয়েছে এখানকার দোকান মালিকদের। তাই তারা তাকিয়ে রয়েছেন সরকারি সহযোগিতা দিকে। পিন্টু দাস নামে এক দোকান মালিক বলেন, সারা বছর দোকানে ভিড় থাকে এই দোকানের উপর নির্ভর করেই আমাদের সংসার চলে। কিন্তু এবছর লকডাউন শুরু হতে পর্যটক না থাকার কারণে কোন বেচা কেনা নেই ফলে আর্থিক সংকটে পড়তে হচ্ছে আমাদের। এছাড়াও তিনি বলেন দোকান খুললে বিদ্যুতের বিলের পয়সাটুকুও হচ্ছে না। তাই সরকার একটু সহযোগিতা করলে খুবই ভালো হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here