ক্যামেরা-ই নয়, ফাঁদ পেতে জোড়া বাঘ ধরতে তোড়জোড় বাঁকুড়া’য়

0
500

বিশেষ প্রতিনিধি, বাঁকুড়াঃ- বাঘ – ই। তবে, একটি নয় – দুটি।
শনিবার ভোর থেকে সোমবার পর্যন্ত বাঁকুড়া আর ঝাড়গ্রাম জেলার বিভিন্ন বনাঞ্চল লাগোওয়া গ্রামগুলির আশেপাশে যে ‘রহস্যময়’ জন্তুর পায়ের ছাপ মিলেছে, তা আসলে বাঘেরই পায়ের চিহ্ন। রাজ্যের মুখ্য বনপাল রবিকান্ত সিনহা’র মতে, “বাঁকুড়ার গ্রামগুলিতে যে পায়ের ছাপ সংগ্রহ করা গেছে, তা আসলে বাঘিনীর। তার সাথে রয়েছে তার বাচ্চা”। দক্ষিন বাঁকুড়া বন বিভাগের ফুল কুসমা ফরেস্ট রেঞ্জ এলাকার খেজুর খন্না আর বারিকুলে, শনিবার ও রবিবার সকালে বাঘের পায়ের ছাপ মেলে। এই নিয়ে গ্রামবাসীদের মধ্যে বিস্তর চাঞ্চল্য, আতঙ্ক ছড়ালেও, গোড়ায় বনবিভাগ ও গুলি “বন বিড়ালের পায়ের ছাপ” বলে উড়িয়ে দেয়। ২০১৮ সালের মার্চ মাসে দক্ষিন বাঁকুড়া বনবিভাগের ই সিমলাপাল, সারেঙ্গাঁ রেঞ্জ এলাকায় ‘রহস্যময়’ পায়ের ছাপ নিয়েও কার্যতঃ ছেলেখেলা করেছিলেন বিভাগীয় বনাধিকারিক দেবাশীষ মহিমা প্রসাদ প্রধান। পরে, ৮ মার্চ বাঁকুড়া পুলিশ লাইনে প্রশাসনিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া ধমক খেয়ে টানা চারদিন আকাশে ড্রোন উড়িয়ে বাঘের খোঁজে নেমেছিলেন। সেই মহিমা প্রসাদ প্রধান এবারও। একই কায়দায় বারিকুলের পায়ের ছাপ কয়ে ‘বন বিড়ালের’ পদচিহ্ন বলে উড়িয়ে দিতে চাইছিলেন। তবে, রাজ্যের মুখ্য বনপাল (বন্যপ্রান) রবিকান্ত সিনহা সরাসরি জোড়া বাঘের অস্তিত্বের কথা ঘোষনা করায় অস্বস্তিতে পড়েন মহিমা প্রসাদ। সোমবার তড়িঘড়ি বারিকুল সহ দক্ষিন বন বিভাগের বেশ কিছু জায়গায় চারটি ডিজিটাল ক্যামেরা বসানোর কাজ শুরু করেছেন তিনি। তিনি বললেন, “আমরা শুধু ক্যামেরা বসানোই নয়, দুটি আলাদা জায়গায় ফাঁদ পাতা হবে, বাঘ ধরার জন্য”।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here