দিনের অধিকাংশ সময় কানে হেডফোন! অজান্তেই বাড়ছে জীবনের ঝুঁকি

0
621

নিজস্ব প্রতিবেদন, এই বাংলায়ঃ কথায় কথায় কানে হেডফোন রাখার অভ্যাস অনেকেরই রয়েছে। কেউ হয়তো কাজের ফাঁকে, কেউ আবার কাজেরই জন্য ব্যবহার করেন হেডফোন। কিন্তু তা থেকে শরীরের নানা সমস্যাসৃষ্টি হতে পারে। বাড়তে পারে বিপদের ঝুঁকি। কেবল শারীরিক দিক থেকে নয়, সঙ্গে সমস্যা বৃদ্ধি পায় মানসিক দিক থেকেও। তাই হেডফোন ব্যবহার করার আগে সচেতন থাকুন। মাথায় রাখুন হেডফোন ব্যবহার করার ফলে কী কী সমস্যার সন্মুখীন আপনি হতে পারে।জানুন, হেডফোন ব্যবহারে যে সমস্যাগুলো বৃদ্ধি পায়-
১) মনসংযোগ নষ্টঃ হেডফোন কানে থাকলে মনসংযোগ নষ্ট হতে পারে। কোনও একটি কাজ করার সময় সম্পূর্ণ মনসংযোগ সেই দিকেই রাখা প্রয়োজন। একটি ইন্দ্রিয়কে যদি অন্য কাজে ব্যস্ত রাখা হয়, তবে তা থেকে কাজের প্রতি মনোসংযোগ কমে অনেকটা। ফলে তা কাজের সময় এড়িয়ে চলুন।
২) সংক্রমনের ঝুঁকিঃ কানে ইনফেকশন হতে পারে হেডফোন যদি অন্যকারুর সঙ্গে শেয়ার করা যায়। তাই হেডফোন নিজের কাছেই রাখুন। তা দিয়ে বন্ধুদের সঙ্গে সম্পর্ক না পাতানই ভালো।
৩) শ্রবণশক্তি হ্রাসঃ শ্রবণ ক্ষমতা কমে যাওয়া। একটা সময়ের পর কানের অভ্যাসে পরিণত হয় জোড়ে শোনা। যার ফলে অন্য সময় আস্তে কথা বললে বলা কম শব্দ কানে ঠিক মতন প্রবেশ করে না।
৪) কানের সমস্যাঃ দীর্ঘক্ষণ কানে হে়ডফোন ফোন গুঁজে রাখা থাকলে কানে চাপ সৃষ্টি হয়। যা থেকে শ্রবণ ক্ষমতা হারাতে হতে পারে। তাই প্রতি এক ঘন্টায় একবার অন্তত কান থেরে হেডফোন খুলে রাখুন।
৫) পথে বিপদঃ পথে ঘাটে বিপদরে ঝুঁকি বাড়িয়ে তোলে হেডফোন। রাস্তায় কানে হেটফোন দিয়ে চলার জন্য দুর্ঘটনার সম্ভাবনা কী হারে বেড়ে চলেছএ তা নিয়ে অনেকেই নজর রাখেন না। তাই পথে ঘাটে এড়িয়ে চলুন হেডফোন।
অতএব অবসরে হেডফোন ব্যবহার করুন, কিন্তু তা অভ্যাসে যেন পরিণত না হয়, বা দীর্ঘক্ষণ আপনার সঙ্গে না থাকে, সেই দিকে নজর দিন। এতে শ্রবণক্ষমতা উন্নত হবে সঙ্গে জীবনের ঝুঁকি কমবে অনেক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here