দেবী রুদ্রচন্ডীর মন্দিরে সতীর দেহের কোন অংশ পড়েছিলো, বীরভূমের এই শক্তিপীঠ অত্যন্ত জাগ্রত, জানুন এর ইতিহাস

0
922

বহরমপুর থেকে সঙ্গীতা চৌধুরীঃ- সতীর ছিন্নভিন্ন দেহাবশেষ থেকেই একান্নটি সতীপীঠ তৈরি হয়েছিলো। তার মধ্যে অন্যতম একটি সতীপীঠ হলো
বীরভূম জেলার বক্রেশ্বরের দেবী রুদ্রচন্ডী। আজ ও ভক্তিযুক্ত মনে মায়ের কাছে কিছু চাইলে মা বিফল মনোরথ করেন না।

পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার বক্রেশ্বর একান্ন শক্তিপীঠ গুলির অন্যতম। এখানেই বক্রেশ্বর শ্মশানের পাশে শ্রী মাধবানন্দ অবধূত এর আশ্রমে প্রতিষ্ঠিতা আছেন দেবী রুদ্রচন্ডী।

দেবীর রূপ বৈচিত্রপূর্ণ। দেবীর গাত্রবর্ণ রক্তের ন্যায় লাল, তিনি শবরূপ শিবের উপর পদ্মাসনে উপবিষ্টা। দেবী চতুর্ভূজা; হস্তে মালা, পানপাত্র ও বরাভয় ধারণ করে আছেন। দুই পাশে দুই সখী দেবীকে চামর সেবা করছেন।

শ্রী মাধবানন্দ অবধূত দেবীর প্রতিষ্ঠা করে তন্ত্রমতে পূজার প্রচলন করেন। আজও পরম নিষ্ঠার সহিত দেবীর আরাধনা হয়ে আসছে এই মন্দিরে। প্রতি মাসের শুক্লপক্ষের অষ্টমী তিথিতে দেবীর বিশেষ পূজা-পাঠ ইত্যাদি হয়ে থাকে।
কথিত আছে নারায়ণ যখন তার সুদর্শন চক্র দিয়ে সতীর দেহ খন্ডিত করেন, তখন সতীর মন এই অংশে পতিত হয় এবং কালক্রমে তা মন্দিরে পরিণত হয়।

পশ্চিমবঙ্গের বক্রেশ্বরের এই শক্তিপীঠটি বীরভূম জেলার পাপহরা নদীর তীরেই অবস্থিত। এই শক্তিপীঠ সিউড়ি শহর থেকে ২৪ কিমি দূরে অবস্থিত।এই শক্তিপীঠটি কলকাতা থেকে ২৪০ কিলোমিটার দূরে আছে। অত্যন্ত জাগ্রত এই মন্দিরে মা নিত্য বিরাজ করেন। তাই ভক্তিযুক্ত মনে প্রতিবছর এই মন্দির দর্শনে দর্শনার্থীরা যান। মনে ভক্তি ও বিশ্বাস দৃঢ় করুন। সৎ মানসিকতায় ও আন্তরিক ভাবে মাকে ডাকলে মা আমাদের উদ্ধার করবেন। জয় মা। আমাদের রক্ষা করো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here