প্রবল সংকটের মুহূর্তে কী করলে রক্ষা পাবেন

0
675

বহরমপুর থেকে সঙ্গীতা চৌধুরীঃ- আপনার সংসারে ক্রমশ সংকট ঘনিয়ে আসছে। একের পর এক বিপদ মাথার ওপর ঘনিয়ে আসছে। আপনি কিছু তেই ভেবে পাচ্ছেন না কী করবেন কীভাবে রক্ষা পাবেন করুন সাঁই বাবার ব্রত। হ্যাঁ সিরিডির সাঁই বাবা।তার জন্মবার হচ্ছে বৃহস্পতিবার। তাই সাঁইবাবার জন্মবার এ যদি আপনি নিরামিষ খাবার খান। আর সাঁই নাম একমনে স্মরণ করেন।তাহলে আপনার বিপদ আস্তে আস্তে কেটে যাবে।সংকট চলে যাবে। বিশ্বাস না হলে করেই দেখুন। মনে রাখবেন “বিশ্বাসে মিলায় কৃষ্ণ তর্কে বহুদূর।”-সাঁই বাবার নাম করে বৃহস্পতিবার নিরামিষ খাবার গ্রহণ করলে সাঁই তুষ্ট হন। আর সাঁই বাবাকে সকলেই অবতার পুরুষ রূপে মানেন। তিনি তুষ্ট হলে অপূর্ণ মনোবাসনা পূর্ণ হয়। আর তার সাথে আরো একটা কথা মনে রাখবেন এই ব্রত পালনের সময়। শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংস দেবের কথা-“পরনিন্দা, পরচর্চা কখনো করবি নে। ওতে নিজেরই ক্ষতি হয়। রাতদিন অপরের কুভাবগুলো আলোচনা করে করে নিজের ভেতর যেটুকু সদ্ভাব ছিল নষ্ট হয়ে গিয়ে মনের উপর ওইসব কুভাবের ছাপ পড়ে যায়।কার কি দোষ আছে না আছে দেখবার দরকার কি? সকলের সঙ্গে মিশবি, আনন্দ করবি, তা নয় এ ও করেছে, সে তা করেছে, বলে পাঁচজনে মিলে জটলা করা আর লোকের পিছনে লাগা বড় খারাপ। অতি হীনবুদ্ধি না হলে ওসব হয় না।
সব সময় মানুষের গুণ দেখতে শেখ। একটু গুণ থাকলেও তাকে বড় করে দেখতে হবে, সম্মান দিতে হবে, প্রশংসা করতে হবে। গুণের আদর না করলে মানুষ বড় হতে পারে না, নিজের মনও উদার হয় না।” সাঁইবাবা ও এইকথায় বলতেন। প্রতিযুগে জন্মগ্রহণ করা যুগপুরুষদের বাণী মোটামোটি এক। সার কথাও এক। ঈশ্বর সে আল্লাই হোক বা হরি ই হোন বা যীশু ই হোন তার নাম করে কৃচ্ছসাধন করবেন আর অন্তরে পাপ চিন্তা করবেন তাহলে আপনার মনোবাসনা পূর্ণ হবে না কখনোই‌। তাই মন থেকে বিশ্বাস এনে দৃঢ় চিত্তে বলুন -“নম: সাঁই নম:”আর তার সাথে পড়ুন গীতার সেই অমোঘ বাণী-“সর্বধর্মান পরিত্যাজ্য মামেকং শরণং ব্রজ। অহং ত্বাং সর্বপাপেভ্য মোক্ষয়ামি মা শূচ”- সকল ধর্মের পরিত্যাগ করে কেবলমাত্র আমার শরণাপন্ন হও আমিই তোমাকে রক্ষা করবো।শুচিতা দান করবো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here