করোনা আবহে কীভাবে বাঁচবেন, বললেন ডাক্তার পৌলমী

0
476

বহরমপুর থেকে সঙ্গীতা চৌধুরীঃ- গুজরাট আমেদাবাদ এর ডাক্তার পৌলোমী কিছুদিন আগেও কোভিড চিকিৎসার দায়িত্বে ছিলেন। এখন তিনি কিছুদিন বিশ্রামে আছেন। এই সময় তিনি একটি লাইভ ভিডিও করেন ও সেখানে কতগুলি জরুরী পরামর্শ দেন। ডাক্তার পৌলোমী বলেন যে কলকাতার জনঘনত্ব যেহেতু খুবই বেশি সেই কারণে তিনি খুব চিন্তায় আছেন। কারণ জনঘনত্ব বেশি হওয়ার কারণে কলকাতায় করোনা সংক্রমণ দ্রুতহারে ঘটবে। তারপর এখন লক্ষণ হীন মানুষেরা ঘুরে বেড়াচ্ছেন রাস্তাঘাটে। তারা নিজেরাও জানেন না তারা করোনা পজিটিভ। আপনি তাদের থেকে কী উপায়ে বাঁচবেন? কী উপায়ে বাঁচা যাবে কী কী সর্তকতা অবলম্বন করা যাবে এই নিয়ে ভিডিওটি করলেন ডাক্তার।মানুষকে কতগুলো জরুরি পরামর্শ দিয়েছেন করোনা পরিস্থিনিজেকে বাঁচানোর জন্য সেই পরামর্শগুলো শুনে নিন। পৌলোমী বলছেন যে এখন যারা করোনাতে সংক্রমিত হচ্ছেন তাদের মধ্যে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কোনরকম লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।লক্ষণহীন মানুষগুলোই চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। তাহলে এক্ষেত্রে আমরা কী উপায়ে বাঁচবো?
ডাক্তার পৌলোমী এই ক্ষেত্রে আমাদের নিজেদের কতগুলো সর্তকতা অবলম্বন করতে বলেছেন। জেনে নিন সেগুলো কী কী!

১। প্রথমত দু’ঘণ্টা অন্তর সাবান দিয়ে হাত ধোয়া টা অভ্যাস করে নিতে হবে।

২। বাড়িতে থাকলে প্রতিদিন দুবার গারগেল করতে হবে গরম জলে নুন ফেলে। বাইরে গেলে দিনে চারবার গারগেল করতে হবে।

৩। বাজারে গেলে তিনি হাতে অবশ্যই গ্লাভস পড়তে বলেছেন।

৪। বাজার থেকে আসার পরে গরম জলে সাবান দিয়ে স্নান করার কথা বলেছেন।

৫।বাজার থেকে আসার পরে বাইরে জামাকাপড় জুতো সবকিছু আলাদা জায়গায় রাখতে বলেছেন।

৬। পৌলমি বলেছেন ডাক্তাররা এখন প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি’র ওষুধ খাচ্ছেন এমনকি তিনি নিজেও খেয়েছেন যাতে শরীরে প্রতিরোধক গড়ে ওঠে। তাই তিনি সাধারন মানুষদের উদ্দেশ্যে বলছেন যে তারাও যেন প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাওয়া-দাওয়া করেন।

৭।ফোনটি বাড়ির মধ্যে রেখে যাওয়াই ভালো। যদি ফোন নিয়ে যেতে হয় তাহলে ফোনটিকেও সানিটাইজ করতে হবে।

৮। মেয়েদেরকে চুল থেকে সাবধান থাকতে বলেছে।তাই চুলে দু’দিন অন্তর অন্তর শ্যাম্পু বা সম্ভব হলে প্রতিদিন ই শ্যাম্পু করতে বলেছেন। কারণ চুল থেকে এই ভাইরাসটি ছড়াচ্ছে।

এখন সাধারণ মানুষ এই নিয়মগুলো কেন মেনে চলবেন?

এর উত্তরে পৌলোমী বলছেন- আপনাকে এই জিনিসগুলো মেনে চলতে হবে। কারণ যখন করোনা সংক্রমিত হয়ে কোনো মানুষের মৃত্যু হয় তখন তার পরিবারের লোককে শুধু একটা ফোন করা হয়। পরিবারের লোকের অধিকার নেই মৃত্যুর সময় সেই মানুষটির কাছে আসার। এই অসহায়তাকে ভেবেই আপনারা নিজেরা একটু সচেতন হোন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here