দীক্ষা গুরুর মধ্যে এই গুণগুলি আছে কিনা যাচাই করে নিয়ে তবেই দীক্ষা গ্রহণ করুন

0
250

সংগীতা চৌধুরী, বহরমপুরঃ- আমাদের জীবনের দু’ধরনের গুরুর আবশ্যিকতা আছে। একজন হলেন শিক্ষাগুরু অপরজন হলেন দীক্ষাগুরু। শিক্ষাগুরু আমাদের পার্থিব ঞ্জান দান করে সমৃদ্ধ করেন।মা -বাবা, সমাজ, সংসার, পরিবেশ, প্রকৃতি, বন্ধুবান্ধব ছোটবড় ইত্যাদি যাদের কাছ থেকে আমরা কিছু শিখি তারা সকলেই আমাদের শিক্ষাগুরু। কিন্তু শিক্ষাগুরু আর দীক্ষাগুরু কিন্তু এক নয়। দুটো সম্পূর্ণ আলাদা বিষয়। শিক্ষা গ্রহণ করবার আগে আমরা যেমন দেখিনি শিক্ষাদাতা গুরু ঠিক না ভুল, দীক্ষা গুরুর ক্ষেত্রেও ঠিক একই কথা প্রযোজ্য। তাইতো স্বামীজি দীক্ষা গ্রহণের আগে রামকৃষ্ণ কে বারংবার পরীক্ষা করেছিলেন।

দীক্ষা গুরুর অর্থ সম্পূর্ণই আলাদা দীক্ষা নেওয়ার আগে দীক্ষা গুরুর অর্থ জেনে সেই গুণ গুলো গুরুর মধ্যে রয়েছে কিনা তা দেখে নেওয়া উচিত। দীক্ষা যার তার থেকে নিলেই হয় না আবার দীক্ষাগুরু ও সবাই হতে পারেন না। দীক্ষাগুরু কারা কারা হতে পারেন সেটি জেনেই দীক্ষা নিন।

দীক্ষাগুরু আমাদের অধ্যাত্ম ঞ্জান তথা ব্রহ্মঞ্জান দান করেন। এই গুরু শব্দটি তিনটি বর্ণ ‘গ’, ‘র’ এবং ‘উ’ দিয়ে গঠিত। গ-তে সিদ্ধিদাতা, র-তে পাপনাশক ও উ-তে মঙ্গলময় শিবকে বোঝায়। অর্থাৎ যিনি মঙ্গলময় শিবরূপে, আমাদের সকল পাপ নাশ করে ঈষ্ট সাধনায় সিদ্ধি দান করেন, তিনিই দীক্ষাগুরু। অর্থাৎ দীক্ষাগুরু তিনি হবেন তিনি আমাদের পাপ বিনাশ করার ক্ষমতা রাখেন অতএব দীক্ষাগুরু কে সমস্ত জাগতিক কামনা বাসনার উর্ধ্বে হতে হবে তিনি নিজে যদি কামিনী কাঞ্চনে আবদ্ধ থাকে তাহলে আমাদের আলোর জগত নিয়ে যাবেন কী করে! এই প্রশ্ন নিজেকে করুন তারপর দীক্ষা নিন। আপনি কার কাছে দীক্ষা নেবেন তা সম্পূর্ণভাবে আপনার সিদ্ধান্ত তবে জেনে রাখবেন দীক্ষাগুরু যদি সঠিক না হয় তাহলে সেই দীক্ষা নেওয়া না নেওয়া দুইই সমান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here