শ্রাবণ মাসে দীক্ষা নিলে কী হয় বলেছিলেন বামাক্ষ্যাপা, চলুন জেনে নিই

0
332

সংগীতা চৌধুরী, বহরমপুরঃ- ২ রা শ্রাবণ ইহলীলা ত্যাগ করে শিব লোকের দিকে যাত্রা করেছিলেন সাধক শ্রেষ্ঠ ত্রিকালদর্শী বামাক্ষ্যাপা। তারা মায়ের সন্তান ছিলেন তিনি, তাই মাকে বড়মা বলে ডাকতেন ও তিনি দেবতার থালা থেকেই নৈবেদ্য তুলে খেয়ে নিতেন, এই খবর যখন চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং ক্ষ্যাপা বাবার নামে নিন্দা শুরু হয়,তখন তারামা স্বয়ং নাটোরের মহারানীকে স্বপ্নাদেশ দিয়ে জানিয়ে দেন যে, তাঁর পুত্র বামাক্ষ্যাপা কে যেন আগে খাবার দেওয়া হয়। এরপর থেকে মন্দিরে পুজোর আগেই বামাক্ষ্যাপাকে নৈবেদ্য প্রদান করা হতো। ক্ষ্যাপা বাবা তাঁর সমগ্র জীবন জুড়েই নানা অলৌকিক ঘটনা ঘটিয়েছে। তবে তিনি দীক্ষা প্রসঙ্গে যে কথাটি বলেছিলেন তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

একজন ভক্ত তাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, দীক্ষা গ্রহণের সময় কি কাল নির্ণয় প্রয়োজন? তার উত্তরে ক্ষ্যাপা বাবা বলেন, “হ্যাঁ দীক্ষা নিলে কাল নির্ণয় করা দরকার। এর ফলে শিষ্যের প্রভূত উপকার হয়। যেমন বৈশাখ মাসে দীক্ষা নিলে রত্ন লাভ হয়, জ্যৈষ্ঠ মাসে দীক্ষা নিলে শিষ্যের মৃত্যু হয়। আষাঢ় মাসে বন্ধুনাশ নয়, শ্রাবণ মাসে দীক্ষা নিলে শিষ্য পূর্ণ আয়ু প্রাপ্ত হয়, ভাদ্র মাসে দীক্ষা নিলে প্রাননাশ হয়। আশ্বিনে রত্ন সঞ্চয় ও কার্তিক অগ্রহায়ণে শিষ্যের মন্ত্র সিদ্ধি হয়। পৌষ মাসে দীক্ষা নিলে শত্রুপীড়ন ভোগ করতে হয়,মাঘ মাসে দীক্ষা নিলে মেধা বৃদ্ধি ঘটে, ফাল্গুন মাসে দীক্ষা নিলে সর্বকাম পূর্ণ হয়, চৈত্র মাসে দীক্ষা নিলে পুরুষার্থ লাভ হয়। ”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here