বঙ্গীয় ক্ষত্রিয় সমাজের সর্বভারতীয় সন্মেলনের আয়োজন বাঁকুড়ায়

0
512

সংবাদদাতা, বাঁকুড়াঃ- আগামী ২১-২২ ডিসেম্বর অমরকানন বাঁকুড়া রামকৃষ্ণ মিশনের প্রাঙ্গনে রাজপুত ক্ষত্রিয় সমাজের সর্ব ভারতীয় সন্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এই সন্মেলনে রাজপুত ক্ষত্রিয়দের উপস্থিত থাকার কথা। ক্ষত্রিয় হল সর্বশ্রেষ্ট জাতির মধ্যে একটি। দেশরক্ষা, প্রশাসনিক কার্যকলাপ, দেশের সুরক্ষা ইত্যাদিতে সামনে থাকে এই জাতি। বিশেষতঃ প্রশাসনিক দায়িত্বে রাজ্যশাসনের যে চুড়ান্ত দক্ষতা দেখিয়েছিলেন তিনি হলেন মেবারের রাজা হামির সিং(১৩২৬-১৩৬৪), মকাল সিং(১৪২১-১৪৩৩), উদয় সিং(১৪৬৮-১৪৭৩), বিক্রমাদিত্য সিং(১৫৩১-১৫৩৬), মহারানা প্রতাপ সিং(১৫৭২-১৫৯৭), অভি সিং(১৭৬২-১৭৭২), সর্দার সিং (১৮৩৮-১৮৪২), ফতে সিং(১৮৮৪-১৯৩০)। শুধুমাত্র শীর্ষে নয় যুদ্ধে, বীর্যে, সাহিসিকতাতেও এই জাতি এগিয়ে।
সময়ের সাথে সাথে ক্ষত্রিয়দের সম্পত্তির ভাগাভাগি, শিক্ষাকে অবহেলা করা, নিজ জাতির প্রতি অহমিকা তাদের কর্মবিমুখ করে তুলেছিল। স্বাধীন ভারতে জমিদারী প্রথার বিলোপ, ভুমি সংস্কার নীতি ক্ষত্রিয় সমাজের অর্থনৈতিক দিকে আঘাত আনে। রাজপুত জাতির ঐক্য ও জাতির রক্ষার জন্য সোচ্চার হবে। বঙ্গীয় ক্ষত্রিয় সমাজের ঐক্য, অগ্রগতি, স্বার্থ রক্ষার জন্য সাংগঠনিক শক্তির আবশ্যিক প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা। এই সন্মেলনে মূল্যবান পরামর্শ ভবিষ্যতের রূপরেখা গঠন করবে। বঙ্গীয় ক্ষত্রিয় সমাজের প্রচেষ্টা হবে ক্ষত্রিয় সমাজের কি ভাবে ব্যপক উন্নতি করা যায়। শুধুমাত্র উন্নতিই নয় একে অপরের পাশে দাড়ানোও।
উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার প্রতিটি বিষয়ে ছাত্র, ছাত্রীরা শিক্ষা গ্রহন করতে পারছে কিনা সে বিষয়ে ধ্যান দেওয়া হবে।
রাজপুত ক্ষত্রিয় সমাজের ইতিহাস মূলতঃ রাজস্থান, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, মধ্যপ্রদেশ ইতাদ্যি স্থানে হামেশাই দেখতে পাওয়া যায়।
নিজেদের গণ্ডী ছাড়িয়ে কিভাবে সমাজের গরীব মানুষের উন্নতির জন্য পরিকল্পনা গ্রহন করা সম্ভব কিনা তা এখানে আলোচিত হবে। রাজপুত ক্ষত্রিয় সম্প্রদায়ের সকলে অংশগ্রহন করবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here