জেমুয়ার বাসিন্দাদের মুশকিল আসান করলেন বিধায়ক জীতেন্দ্র তিওয়ারি

0
1345

সোমনাথ মুখার্জী, লাউদোহাঃ জনসংযোগ ও নিশিযাপন কর্মসূচিতে বিধায়ককে সামনে পেয়ে জেমুয়া পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দারা এলাকার বেহাল রাস্তাঘাট ও সরকারি পরিষেবার বেহাল দশার কথা জানিয়েছিলেন। যা শুনে শীঘ্রই এই ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বিধায়ক জিতেন্দ্র তেওয়ারি। প্রতিশ্রুতি মতো কাজ শুরু হয় বিধায়কের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান বাসিন্দারা। মানুষের কাছে গিয়ে তাঁদের অভাব অভিযোগ শোনা ও জনসংযোগ বাড়াতে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস সম্প্রতি জনসংযোগ ও নিশিযাপন কর্মসূচি নিয়েছে। গত ১৬ আগস্ট সেই কর্মসূচিতেই লাউদোহা ব্লকের জেমুয়া পঞ্চায়েত এলাকায় যান স্থানীয় বিধায়ক জিতেন্দ্র তেওয়ারি। সেদিন তিনি রাত্রিতে থাকেন এলাকার এক বাসিন্দার বাড়িতে। বিধায়কের কাছে বাসিন্দারা এলাকার বেহাল রাস্তাঘাট ও সরকারি পরিষেবার বেহাল দশার কথা তুলে ধরেন। বাসিন্দারা অভিযোগ করেন গ্রামের মূল রাস্তাটি বেহাল অবস্থায় রয়েছে। বর্ষাকালে জমা জল ও কাদায় এ রাস্তা দিয়ে হাঁটা চলা করা দুঃসাধ্য হয়। এ ছাড়াও পঞ্চায়েত এলাকাটি লাউদোহা ব্লকের অধীন হওয়ায় গ্রাম থেকে বিডিও অফিস বা পঞ্চায়েত সমিতি অফিসের দূরত্ব প্রায় পঁচিশ থেকে তিরিশ কিলোমিটার। প্রত্যন্ত এলাকা হওয়ায় যে কোনও কাজের জন্য তাঁদের যেতে হয় লাউদোহায়। দূরত্ব বেশি হওয়ার কারণে বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা পেতে তাদের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। যা শুনে সেদিনই বিধায়ক প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন উন্নয়ন ও সরকারি পরিষেবা পেতে যাতে অসুবিধা না হয় সে ব্যাপারে তিনি উদ্যোগী হবেন। মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলন করে পশ্চিম বর্ধমান জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ সৃজিত মুখার্জির দাবি করেন বিধায়কদের প্রতিশ্রুতি মতো কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে বলে দাবি করেন। তিনি জানান এলাকার গোসাই ডাঙ্গা মোড় থেকে জেমুয়া স্কুল মোড় পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটার রাস্তা পাকা করার জন্য জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে পঞ্চাশ লক্ষ টাকা অনুমোদন করা হয়েছে । চলতি মাসেই কাজ শুরু হবে বলেও তিনি জানান। পাশাপাশি তিনি বলেন জেমুয়া বাসিন্দাদের আর দীর্ঘ পথ পেরিয়ে সরকারি পরিষেবা পেতে লাউদোহার যাওয়ার প্রয়োজন হবে না। বিধায়কের নির্দেশে চলতি মাস থেকে সোম ও বুধবার পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আর মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার জেমুয়া পঞ্চায়েতে বসবেন জয়েন্ট বিডিও। যে কোনও সার্টিফিকেট ও সরকারি পরিষেবা এ বার এখানেই পাওয়া যাবে। গ্রামের বাসিন্দা শেখ আমিন শেখ সইফুদ্দিনরা বলেন বিধায়কের এই উদ্যোগে আমরা কৃতজ্ঞ। বিধায়কের আন্তরিক উদ্যোগের কারণে দীর্ঘদিনের সমস্যা থেকে আমরা মুক্তি পেলাম।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here