কালনার কোটি টাকার মসলিন এবার পাড়ি দিল জাপান, লন্ডন

0
1026

সংবাদদাতা, কালনাঃ- বাংলার তাঁতঘরে ফিরে এল হারিয়ে যাওয়া বস্ত্র শিল্পের গৌরব। সেই মুঘল যুগ থেকে বাংলার মসলিনের বিশ্বজোড়া খ্যাতি, যা প্রায় হারিয়েই গেছিল। ফের জেগে উঠল কালনায়, রাজ্য সরকারের সহায়তায় তৈরী তাঁতের ক্লাস্টারে। তাই তো, শারদোৎসবের মুখেই কালনার নটি মসলিন শাড়ী পাড়ি দিল লন্ডনে।
“মমতা বন্দ্যোপাধ্যেয়ের অনুপ্রেনায় রোজদিনই বাঙালী নতুন নতুন উন্নয়নের শিখরে পৌঁছাচ্ছে। প্রায় হারিয়ে যাওয়া কালনার মসলিন শাড়ীকে আমাদের মুখ্যমন্ত্রীই ফের বাঁচিয়ে তুললেন। তাই তো বহুযুগ পর কালনার তাঁতীদের তৈরী শাড়ী ফের রপ্তানি করল ভারত”, বললেন রাজ্যের ক্ষুদ্র, মাঝারি শিল্প মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। কালনার মানুষ স্বপন। আর কালনার কাদি পাড়ার হাত ধরেই মসলিনের পুনরুজ্জীবন। নতুন করে এই রপ্তানিতে স্বপনবাবুর দপ্তরের সাথে হাত মিলিয়েছে গ্রামীন খাদি বোর্ড। গোটা বিষয়টি ব্যবস্থাপনার কাজে রয়েছে ‘কালনা উইভার্স অ্যান্ড আর্টিজেনস ওয়েলফেয়ার সোসাইটি’ নামে তাঁতিদের একটি সংস্থা। এই সংস্থাই কাদিপাড়া সহ অন্যান্য গ্রাম থেকে তাঁত ভুলতে বসা বস্ত্র কারিগরদের খুঁজে খঁজে যোগাড় করে। রাজ্য সরকারের সহায়তায় যন্ত্রপাতি, কাঁচামাল যোগাড় করে। সংস্থার সম্পাদক তপন মোদক বললেন, “আমাদের সংস্থাই খাদি বোর্ডের কাছে মসলিন বাঁচানোর প্রস্তাব পাঠায়। তাতে সাড়া দিয়ে গোড়ায় এক কোটি টাকা দেয় রাজ্য। পাশাপাশি দেওয়া হয় ১০টি মোটর চালিত চরকা আর ১০টি তাঁত মেশিন। শুরু হয় কাজ”। তপন জানালেন, “এবার এখানকার শিল্পীদের তৈরী নটি মসলিনের শাড়ী গেল লন্ডন আর শিল্পী সুকুমার দাসের তৈরী মসলিনের গাঁঠ গেল জাপানে”। কালনার কাদিপাড়ার শিল্পী সকুমার দাস, তার স্ত্রী নমিতা দাস বললেন, আমরা তো ভুলতেই বসেছিলাম মসলিন। ফের কাজে ফিরে ভাল লাগছে আমাদের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here