সাবধান! প্রত্যেক ব্যক্তি তার মানসিকতা অনুযায়ী ফল লাভ করে! পুরোটা পড়লে চমকে যাবেন!

0
397

সংগীতা চৌধুরী,বহরমপুরঃ- প্রত্যেকেই নিজের কর্ম ও ধর্ম পালনের পর ইপ্সিত বর চান। মানসিকতা অনুযায়ী প্রত্যেকের চাওয়া-পাওয়া হয় ভিন্ন রকমের। তবে কর্মী ব্যক্তিদের পক্ষে স্বর্গলোকে বাস ই সবথেকে অন্যতম ইপ্সিত আকাঙ্ক্ষার বস্তু হয়ে ওঠে। কারণ সেখানে দুঃখের লেশমাত্র নেই, স্বর্গ মানেই অনন্ত সুখ ও অনন্ত যৌবন।

আবার জ্ঞানী ও যোগী ব্যক্তিরা চান ভগবানের মধ্যে লীন হয়ে যেতে। তারা স্বর্গলোক কে তুচ্ছ জ্ঞান করেন, তাদের কাছে আরাধ্য দেবতার অস্তিত্বের সাথে লীন হয়ে যাওয়ায় সর্বোত্তম বলে মনে হয়।

কিন্তু যে সকল ব্যক্তিরা ভক্ত হয়ে থাকেন, তারা কিন্তু স্বর্গলোকেও যেতে চান না, আবার ভগবানের অস্তিত্বে লীন ও হতে চান না, তারা ভগবানের উপরে নিজেদের যাবতীয় ভার তুলে দেন যাবতীয় কামনা-বাসনা সবকিছু ভগবানের চরণে সমর্পণ করে নিজেকে ভগবানের দাস মনে করেন। তাই তাদের মনে হয় যে তারা যদি ভগবানের কাছে কিছু চান তাহলে সেটা শিব গড়তে গিয়ে বাঁদর গড়ার মত অবস্থা হবে। তাই তারা সর্বতোভাবে সমস্ত অবস্থায় শ্রদ্ধা ও ভক্তি যুক্ত হয়ে ভগবানের সেবায় যুক্ত থাকতে চান।

একজন শুদ্ধভক্ত বলেন, “ হে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ! পিতা যেমন পুত্রের প্রার্থনার প্রত্যাশা না করে তার কল্যাণের জন্য সবকিছু করেন, তেমনি আপনিও যা কিছু আমার জন্য কল্যাণকর বলে মনে করেন তাই করুন।”- বলাই বাহুল্য একজন প্রকৃত ভগবদ্ভক্তির এই মানসিক স্থিতি তাকে সর্ব অবস্থায় সকল বিপদ থেকে রক্ষা করে। কারণ যে ব্যক্তি নিজেকে কর্তা বলে মনে করে সে আসলে অহং-এর শিকার, আর একজন ভগবদ্ভক্ত হলেন ভগবানের দাস, তিনি ভগবানকে নিজের কর্তা রূপে স্বীকার করেছেন। তাই স্বাভাবিকভাবেই একজন দাসের যেমন কোনরূপ চিন্তা ভাবনা থাকে না সে সবকিছু তার মালিকের ওপর ছেড়ে দিয়ে নিশ্চিন্তভাবে সুখে দিন কাটাতে পারে তেমন ভাবেই একজন ভক্ত তার দিন যাপন করেন। আর ঠিক যেমনভাবে পান্ডবদেরকে শ্রীকৃষ্ণ বিপদ থেকে রক্ষা করেছিলেন, দ্রৌপদীকে রক্ষা করেছিলেন বস্ত্রহরণের থেকে, ঠিক তেমনভাবেই শুদ্ধ ভক্তকে ভগবান সর্বতোভাবে রক্ষা করেন কিন্তু তার জন্য অবশ্যই ভক্তের মতো মানসিকতা আনতে হবে। হরেকৃষ্ণ। রাধে রাধে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here