অলৌকিক পদ্ধতিতে টাকা দ্বিগুণের করার প্রলোভন, ধৃত এক বাংলাদেশি

0
517

সংবাদদাতা, বনগাঁ:- অলৌকিক পদ্ধতিতে টাকা দ্বিগুণের লোভ দেখিয়ে জালিয়াতির অভিযোগ উঠল এক দম্পতির বিরুদ্ধে। এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বনগাঁর আরামডাঙ্গা এলাকায়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুই অভিযুক্ত দম্পতি হল কামাল এবং তাঁর স্ত্রী লতা বেগম। বেশ কিছুদিন আগেই বাংলাদেশ থেকে এরা ভারতে এসেছিলেন। এক সপ্তাহ আগে বনগাঁ হাসপাতালে এই দপতির সাথে বনগাঁর বাসিন্দা সোমা হালদারের পরিচয় হয়। বেশ কিছুক্ষন ধরে কথা বলার পর সোমাদেবীর সাথে ভাব জমিয়ে নেয় ওই দম্পতি। দপতির প্রতিটি কথা বিশ্বাস ও করে নিচ্ছিল সোমা দেবী। এর মধ্যেই একদিন সোমা দেবীর বাড়িতে বাংলাদেশের ওই দম্পতি বেড়াতে যান। সোমা দেবীর বাড়িতে গিয়ে তারা জানান যে, অলৌকিক পদ্ধতিতে টাকা দ্বিগুণের উপায় তাদের কাছে রয়েছে। তাই সোমা দেবী ওই দম্পতির কথা বিশ্বাস করে প্রায় দু লক্ষ টাকা তাদের হাতে তুলে দেয় বিনা দ্বিধায়। কিন্তু হঠাৎই মন্ত্র পাট করে একটি প্যাকেটে মুড়ে টাকাটি একটি বড় পাথরের ওপর রাখে লতা ও কামাল। এরপরই সেখান থেকে বেরিয়ে আসে ওই দম্পতি। পরের দিন হালদার দম্পতি প্যাকেটটি খুলে দেখেন তাতে শুধু কাগজ ভরা। এরপরই হালদার দম্পতি বুঝতে পারে তারা প্রতারিত হয়েছেন। অবস্থা বে গতিক দেখে হালদার দম্পতি বাংলাদেশি দম্পতির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযুক্তদের ধরতে ফের টাকার লোভ দেখানো হয় বাংলাদেশি ওই দম্পতিকে। ইতিমধ্যেই টাকা নিতে আসতেই লতা বেগম কে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। অন্যদিকে অভিযুক্ত কামাল আপাতত পলাতক। সোমা হালদার জানায়, “ওই বাংলাদেশি দম্পতি ভাল মানুষ সেজে এসে এমন ভাবে ভাল ব্যবহার করল কিন্তু তারা আমাদের সঙ্গে টাকা নিয়ে এভাবে জালিয়াতি করবে আমরা বুঝতে পারিনি। সংসারে অভাবের জন্য টাকা দ্বিগুণ করার লোভে ২ লক্ষ টাকা আমরা তাদের দিয়েছিলাম”। অন্যদিকে পুলিশ বিভাগও এই টাকা প্রতারনার পদ্ধতিতে অবাক। অভিযুক্তদের সঙ্গে স্থানীয় কারোর যোগ রয়েছে কিনা তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here