বৃহস্পতিবারে এই প্রার্থনা মন্ত্রের দ্বারাই সকল বিপদ কেটে যাবে

0
473

বহরমপুর থেকে সঙ্গীতা চৌধুরীঃ- আজ বৃহস্পতিবার আজকের দিনে ঠিক কী করলে এক ই সাথে লক্ষী নারায়ণের কৃপা পাবেন তাই বলবো। কী করলে সকল বিপদ থেকে উদ্ধার পাবেন? নারায়ণ তিনি সৃষ্টি তিনি প্রলয় তিনি রক্ষা কর্তা‌। তিনি শিব তিনি ব্রহ্মা। জগতের সব কিছু তার থেকেই সৃষ্টি হয়েছে। তিনিই- জলে মৎস্য অবতার হয়ে প্রলয়ের সময় পৃথিবীকে রক্ষা করেছেন।
নারায়ণ পাতালে বামন অবতার রুপে লক্ষী কে উদ্ধার করেছিলেন। গৃহ পর্বত জঙ্গম প্রভৃতি স্থানে নরসিংহ অবতার রুপে নারায়ণ বিরাজমান। এই অবতার রূপে তিনি প্রহ্লাদ মহারাজকে রক্ষা করেন ও হিরণ্যকশিপুর বধ করেন। রাম অবতার রুপে তিনি রাক্ষস কুলকে ধ্বংস করেন। সনৎ কুমার দেবতাদিগ কে তিনিই কুকাজ হতে রক্ষা করেন। নারদ মুনি রূপে তিনিই পুজার বিঘ্ন থেকে রক্ষা করেন। ধন্বন্তরি কবিরাজ রুপে তিনি ব্যাধি হতে রক্ষা করেন। আবার তিনিই বেদব্যাস রুপে অজ্ঞান অন্ধকার হতে আমাদের রক্ষা করছেন। কল্কি অবতার রুপে সেই নারায়ণ ই অধর্ম হইতে রক্ষা করবেন। তাই আজ সাত্ত্বিক আহার গ্রহণ করুন। তারপর নারায়ণের পটের সামনে বা শিলার সামনে হাত জোড় করে প্রার্থনা করুন-“হে গোবিন্দ হে নারায়ন হে পরশুরাম হে বলভদ্র হে মধুসুদন হে রাম হে কৃষ্ণ হে হৃষীকেশ হে পদ্মনাভ হে গোপীনাথ হে দামোদর হে ঈশ্বর হে পরমেশ্বর হে নিরাকার হে সাকার হে ওঁ কার তোমার যত নাম আছে তাহারা অষ্টপ্রহরই আমাদের সকল অঙ্গ ও ইন্দিয়েকে রক্ষা করুন। বৈকুণ্ঠনাথের শঙ্খ চক্র গদা পদ্ম ও গরুড় আমাদের সকল প্রকার ভয় থেকে রক্ষা করুন। হে নারায়ন, তুমি যাহাকে রক্ষা কর, পৃথিবীতে কাহারও সাধ্য নেই, যে তাহাকে মারিতে পারে। হে ভক্ত বৎসল, তুমি প্রহ্লাদ কে সর্বভুক অগ্নি হইতে অক্ষতাবস্থায় রক্ষা করেছিলে। হে প্রভু, তুমি আমার সহায় থাকিলে কেহই কোন ক্ষতি করিতে পারে না। কুম্ভীর গজ কে জলে ডুবাইতে চেষ্টা করিয়াও সমর্থ হয় নাই। হে মধুসুদন হে লজ্জা নিবারনকারি, শুধু তোমার কৃপাতে দ্রৌপদি সভার মধ্যে বিবস্ত্রা হইবার লজ্জা থেকে রক্ষা পাইয়াছিল। হে নারায়ন তুমি যাহাকে রক্ষা কর পৃথিবী তে কেহই তাহার কেশাগ্র স্পর্শ করতে পারেনা। যে নিরন্তর তোমার গুনগান করে সে নির্ভয়ে তোমার চরণ লাভ করিতে পারে। তুমি দয়া পূর্বক আমাকে কৃপা করো।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here