জেলায় দ্বিগুন জমিতে ধান চাষ, উৎপাদন বাড়লেও মন ভেঙেছে চাষিদের

0
193

সন্তোষ মণ্ডল আসানসোলঃ- লকডাউনে কলকারখানা, যান চলাচল বন্ধ থাকায়  চলতি বছরে পরিবেশ দূষণের সমস্যা অনেকটাই কমেছে। বৃষ্টিও হয়েছে পর্যাপ্ত। তাই শিল্পাঞ্চল জেলা পশ্চিম বর্ধমানের চাষের জমি ধানে ভরে উঠেছে। কৃষিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছরের তুলনায় জেলায় দ্বিগুণ জমিতে ধান চাষ হয়েছে। সরকারি হিসেবে এই জেলায় এবার চাষ হয়েছে ৪৫ হাজার হেক্টর জমিতে। ফলনও অত্যন্ত ভালো। তবে প্রকৃতির পাশাপাশি কৃষিদপ্তরের উদ্যোগও ছিল প্রশংসনীয়। করোনার জেরে বহু মানুষই বাইরে থেকে জেলায় ফিরে আসেন। অনেকে কৃষিকাজে যোগ দেন। মানুষের মধ্যে চাষ করার প্রবণতাও বাড়ে। বিষয়টি মাথায় রেখে ৫০০ হেক্টর বেশি বীজতলা তৈরি করা হয়েছিল। অতিরিক্ত ২৫ টন বীজে পাঁচ হাজার হেক্টর জমি বেশি চাষ হয়েছে। তাই শিল্প অধ্যুষিত জেলা হলেও পশ্চিম বর্ধমান জেলার চাষীরা এবার বাড়তি ধান উৎপন্ন করেছেন। এতে এই মহামারীর সময়ে বাড়তি টাকা রোজগারেরও স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন জেলার চাষিরা। কিন্তু সে গুড়ে বালি। সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা না বাড়ায় হতাশ জেলার চাষিরা। গত বছরের মতো এবারও ৬০ হাজার মেট্রিক টন ধান কেনা হবে। তাই ধান বিক্রি করে বাড়তি রোজগারের আশায় থাকা চাষিদের মন ভেঙেছে। তাঁদের দাবি, ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা বাড়িয়ে চাষিদের ঘরে বাড়তি টাকা জোগানোর উদ্যোগ নিক সরকার। বারাবনির চাষি রবিন সাধু, সালানপুরের চাষি কালীপদ মণ্ডলরা বলেন, “আমরা সরকারের কাছেই সহায়ক মূল্যে ধান বিক্রি করতে চাই। এবার ধানের ফলন খুব ভালো হয়েছে। সরকার আমাদের জেলায় ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা বাড়াক, এটাই আমরা চাই।”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here