পশ্চিম বর্ধমান জেলাকে করোনা ক্লাস্টার ভুক্ত জেলা হিসেবে ঘোষণা কেন্দ্রীয় সরকারের

0
10148

নিজস্ব সংবাদদাতা, দুর্গাপুরঃ- সারাদেশে চলছে লকডাউন পরিস্থিতি। মানুষজন গৃহবন্দি অবস্থায় রয়েছেন তবুও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।

এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে দেশের বেশ কয়েকটি জায়গাকে হটস্পট ও ক্লাস্টার ভুক্ত জেলা হিসেবে ঘোষণা করা হলো। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে তিনটি জোনে ভাগ করা হয়েছে দেশের বেশ কয়েকটি জেলাকে প্রথমটি রেড জোন বা হটস্পট জোন, দ্বিতীয় টি অরেঞ্জ জোন বা নন স্পট জোন ও তৃতীয়টি গ্রীন জন বা যেখানে করোনা সংক্রমণের প্রাদুর্ভাব কম।

ইতিমধ্যেই ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের প্রধানমন্ত্রী সমস্ত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে এই বিষয়ে একটি বৈঠক করে ফেলেছেন। পশ্চিম বর্ধমান জেলাকে অরেঞ্জ জোন বা নন স্পট জোনে রাখায় চিন্তার ভাঁজ গোটা শিল্পাঞ্চল জুড়ে। এই মুহূর্তে পশ্চিম বর্ধমান জেলায় সংক্রমনের হার কম থাকলেও যেকোনো সময় তা বৃদ্ধি পেতে পারে বলে আশঙ্কা করছে কেন্দ্রীয় সরকার।

আমাদের রাজ্যে যে সাতটি জেলাকে গোষ্ঠীবদ্ধ সংক্রমনের তালিকায় রাখা হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে সেগুলি হল দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া, জলপাইগুড়ি, হুগলি, পশ্চিম বর্ধমান, পশ্চিম মেদিনীপুর ও দার্জিলিং। এই মর্মে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিবের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারকে নির্দেশ নামা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে কি কি করনীয় এখন এইসব এলাকাগুলিতে। সাথে সাথে সংক্রমণ আটকাতে লকডাউন চলাকালীন কি কি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে সে সম্পর্কে নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে কেন্দ্র স্বাস্থ্যমন্ত্রী তরফ থেকে রাজ্য সরকারকে।

এই খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথেই গোটা শিল্পাঞ্চল জুড়ে এক আতঙ্কের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। যেসব মানুষজনেরা এখনো বাড়ির বাইরে কোন জরুরী কাজ ছাড়াই বেরোচ্ছেন তাদের উদ্দেশ্যে সচেতন হওয়ার আবেদন জানিয়েছেন বিভিন্ন সরকারি সংস্থা। সম্ভবত কালকে পশ্চিম বর্ধমান জেলার সমস্ত উচ্চপদস্থ আধিকারিক এই বিষয়ে একটি জরুরী আলোচনায় বসবেন। এমত অবস্থায় কি কি করনীয় ও কি কি পদক্ষেপ নিতে হবে জরুরী ভিত্তিতে তা আলোচিত হবে বলে জানা গেছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here