বীমা’র টাকা পেতেই বর্ধমানের মহিলা আইনজীবিকে খুন করল তারই বিশ্বস্ত সিনিয়র?

0
2760

মান্তু কর্মকার, বর্ধমানঃ- তবে কি এক আইনজীবিই বর্ধমানের মহিলা আইনজীবি খুনের নেপথ্যে? এই সম্ভাবনাকে একেবারেই উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বিশেষতঃ শুক্রবার দিনভর জামালপুর থানায় খুন হওয়া আইনজীবির এক সিনিয়রকে আটক করে দফায় দফায় পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের পর।

গত শনিবার মাঝরাতে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার এলাকার আঝাপুরে নিশংস ভাবে খুন করা হয় মহিলা আইনজীবী মিতালী ঘোষ কে। রবিবার সকালে বাড়ির পরিচারিকা বারবার ডেকেও সাড়া না পাওয়ায়, পাড়ায় খবর দিলে, পাড়ার লোকেরা পাচিল টপকে ঘরে ঢুকে দেখে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ঘরের বাথরুমের কাছে মরে পড়ে আছেন ৫৭ বছরের মিতালী ঘোষ। মিতালী দেবীর বিয়ের ছয় মাসে স্বামীর মৃত্যুর পর বাড়িতে তিনি একাই থাকতেন। দুই ভাই কর্মসূত্রে হাওড়ার বালিতে থাকেন।

এদিকে দিনের-পর-দিন হত্যাকারীর খুঁজে পেতে পুলিশ ব্যর্থ হওয়ায় রাজ্যজুড়ে ক্ষোভ বাড়ে আইনজীবী মহলে। বৃহস্পতিবার সারা বাংলার পাশাপাশি আন্দামান-নিকোবর ও কর্মবিরতি পালন করেন পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার ক্ষুব্দ, বিরক্ত, আইনজীবীরা। রাজ্য বার কাউন্সিলের এক প্রতিনিধি দল জেলা পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখার্জি সাথে বৈঠক করে তাদের ক্ষোভ উগরে দেন।

এদিকে, শুক্রবার সকাল হতেই জামালপুর থানায় বেড়ে যায় পুলিশি তৎপরতা একে একে প্রায় ৪০ জন আঝাপুরে বাসি ও খুন হওয়া মিতালীর নিকট আত্মীয়দের থানায় ডেকে পাঠায় পুলিশ । চলে দফায় দফায় জেরা । বর্ধমান সদর থেকে ছুটে আসেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রিয়ব্রত রায়। টানা জিজ্ঞাসাবাদের মাঝেই তলব করা হয় খুন হওয়া মহিলা আইনজীবির এক সিনিয়রকে। কারণ পুলিশি তদন্তে চাঞ্চল্যকর একটি তথ্য উঠে আসে – মৃত মিতালী ঘোষর জীবন বীমা পলিসির নমিনি তার পরিবারের কেউ নন, ওই সিনিয়র আইনজীবি হলেন নমিনি। এক বীমা কর্মীকে দিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখেছে পুলিশ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here