একদিকে প্রেমিকের অত্যাচারে বিয়েতে সম্মতি নাবালিকার, অন্যদিকে বিয়ের “সাত বছর” পর প্রেমিকের সঙ্গে পালালো তরুণী

0
5103

নিউজ ডেস্ক, এই বাংলায়ঃ পাগল প্রেমিকের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল জীবন পড়াশোনা তো দূর অস্ত, স্কুল এবং টিউশনে যাওয়ায় শিকেয় উঠেছিল নাবালিকার। শেষপর্যন্ত কোনও উপায় না পেয়ে বাবার কথামতো দেখাশোনা করে বিয়ের জন্য রাজি হয়ে যায় ওই নাবালিকা। এমনই ঘটনা ঘটল দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঘুটিয়ারিশরীফ ফাঁড়ির সবুজ সংঘ গ্রামে। জানা গেছে, স্থানীয় এক যুবক অভিযুক্ত সুমন হালদার গত কয়েকদিন ধরেই প্রতিবেশী এক নাবালিকাকে নানাভাবে উত্যক্ত করছিল। ওই নাবালিকার অভিযোগ স্কুলে কিংবা টিউশনে যাওয়ার সময় প্রায় ওই যুবক তার রাস্তা আটকে নানাভাবে উত্যক্ত করত। একাধিক বার তাকে প্রেমের প্রস্তাবও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ নাবালিকার। কিন্তু ওই নাবালিকা তা প্রত্যাখ্যান করায় ওই যুবক তাকে হুমকি দিতেও ছাড়েনি বলে জানিয়েছে ওই নাবালিকা। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছায় যে ওই নাবালিকা মানসিক চাপ নিতে না পেরে বাবার ইচ্ছে মতো ছেলের সঙ্গে বিয়ে করতেও রাজি হয়ে যায়। সেইমতো ওই নাবালিকার বাবা বাসন্তী থানা এলাকার বাসিন্দা বিশ্বজিৎ দাসের সঙ্গে ওই নাবালিকার বিয়ে ঠিক করে। কিন্তু তাতেও শেষরক্ষা হয়নি। গোপন সূত্রে নাবালিকার বিয়ের খবর চাইল্ড লাইনের কাছে পৌঁছে গেলে সঙ্গে ওই নাবালিকার বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ ও চাইল্ড লাইনের আধিকারিকরা। নাবালিকার বাবার সঙ্গে কথা বলে মেয়ের আঠারো বছর হলে তারপর বিয়ে দেবেন এই মর্মে মুচলেকা লিখিয়ে নাবালিকার বিয়ে বন্ধের নির্দেশ দেন। সেইসঙ্গে অভিযুক্ত ওই যুবক সুম্ন হালদারের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। অন্যদিকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার নিকারীঘাটা গ্রামে বিয়ের সাত বছর পর মেয়ের পরকীয়া তথা প্রেমিকের সঙ্গে পালানোর ঘটনায় ক্ষুব্ধ বাবার রাগের বলি হল ভাইপো। প্রেমিকের সঙ্গে মেয়ের পালিয়ে যাওয়ার ঘটনা মানতে না পেরে রাগের চোটে বাঁশ দিয়ে মেরে ভাইপোর মাথা ফাটালেন মেয়ের বাবা। জানা গেছে পঞ্চানন হালদার নামে এক ব্যক্তি সাত বছর আগে দেখাশোনা করে মেয়ের বিয়ে দেন। জানা গেছে বিয়ের আগে তার মেয়ের সঙ্গে প্রতিবেশী এক যুবকের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু বাড়ি থেকে না মেনে না নেওয়ায় ওই তরুণীর বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়। অভিযোগ, সাত বছর সংসার করার পর ফের সম্পতি ওই তরুণীর সঙ্গে তার পুরনো প্রেমিকের সখ্যতা গড়ে ওঠে এবং শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যায় মেয়ে। মেয়ের বাবা পঞ্চানন হালদারের সন্দেহ মেয়েকে পালাতে সাহায্য করেছে ভাইপো হারান হালদার ও তার পরিবার। আর এই সন্দেহের বশেই পঞ্চানন হালদার আচমকায় তার ভাইপো ও পরিবারের ওপর চড়াও হয়। বাঁশ দিয়ে মেরে মাথা ফাটিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে পঞ্চানন হালদারের বিরুদ্ধে। গুরুতর আহত অবস্থায় হারান হালদারকে তড়িঘড়ি ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ক্যানিং থানায় অভিযুক্ত কাকার নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।