একদিকে অবৈধ সম্পর্কের জেরে খুন গৃহবধূ আবার অন্যদিকে প্রেমের টানে পাঞ্জাব থেকে অপহৃত তরুণী উদ্ধার

0
903

নিউজ ডেস্ক, এই বাংলায়ঃ স্বামীর অবৈধ সম্পর্কের কথা জেনে যাওয়ায় কাল হল গৃহবধূর। স্ত্রীর মুখ বন্ধ করতে মুখে বিষ ঢেলে, গলায় দড়ি দিয়ে খুন করল স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তী থানার সোনাখালী গ্রামের। জানা গেছে, প্রথম পক্ষের স্ত্রী মারা যাওয়ায় দ্বিতীয়বার পূর্ণিমা মণ্ডল নামে ওই মহিলাকে বিয়ে করেছিল জামাই বাসুদেব মণ্ডল। মৃতার পরিবারের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই জামাই অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিল। এই কথা মেয়ে জানতে পেরে যাওয়ায় প্রায়ই তার ওপর অত্যাচার হত। মূলত সেই কারণেই তাকে প্রথমে মুখে জোর করে বিষ ঢেলে ও পরে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে খুন করে চম্পট দিয়েছে মৃতার স্বামী ও শ্বশুর বাড়ির লোকজন। খবর পেয়ে বাসন্তী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। গৃহবধূদের ওপর অত্যাচার দিন দিন যেভাবে বেড়ে চলেছে তাতে চিন্তিত জাতীয় মহিলা কমিশন। শুধু মাত্র পণ ও অবৈধ প্রেমের জন্যই এতগুলি গৃহবধূকে দিনের পর দিন মৃত্যুপথযাত্রী হতে হচ্ছে। এরই এক উলোট পুরানের খবর আসে উত্তর দিনাজপুর থেকে। সেখানে, পাঞ্জাব থেকে এক তরুণীকে অপহরণ করে পালিয়ে আসার অভিযোগে এক যুবককে উত্তর দিনাজপুরের পেট্রাপোল সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেফতার করল পাঞ্জাব পুলিশ। ধৃতের নাম মিকা সিং। জানা গেছে, গত ১৫ই মার্চ পাঞ্জাবের ঢাকুরিয়া কোটফাট্টা থানায় উত্তরপ্রদেশের কনক থানার সরক হানিয়ার বাসিন্দা মিনু কুমারী নামে এক তরুণীর অপহরণের মামলা রুজু করে তার পরিবারের লোকেরা। সেইমতো তদন্তে নেমে পাঞ্জাব পুলিশ জানতে পারে ওই যুবক অপহৃত তরুণীকে নিয়ে উত্তর দিনাজপুরের পেট্রাপোল থানা এলাকায় গা ঢাকা দিয়েছে। এরপর মঙ্গলবার পাঞ্জাব পুলিশের একটি দল পেট্রাপোল থানা এলাকায় হানা দিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে তরুণীকে উদ্ধার করে। এদিনই তারা দুজনকে নিয়ে ট্রানজিট রিমান্ডে নিয়ে পাঞ্জাবের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন। পাঞ্জাব পুলিশের এক আধিকারিক জানান, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ও জিপিএস দ্বারা মোবাইল টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করেই তারা এই সাফল্য পেয়েছেন। তবে তারা এও স্বীকার করেন, যে জোরপূর্বক নয়, আদতে প্রেমের টানেই দুজনে পালিয়ে এসেছিল উত্তর দিনাজপুরে। কিন্তু আইন আইনের পথেই চলবে।