দুর্গাপুরের “প্রচেষ্টার” অভিনব উদ্যোগে আহ্লাদীতো জামগড়া গ্রামবাসীরা

0
718

নিজস্ব সংবাদদাতা, দুর্গাপুরঃ- “জীবে প্রেম করে যেই জন, সেই জন সেবিছে ঈশ্বর”। এই চিন্তা-ভাবনাকে মাথায় নিয়ে দুর্গাপুরের বি-জোনের শরৎচন্দ্র এভিনিউয়ের “প্রচেষ্টা” নামক এক সংগঠনের কিছু কর্মকর্তা লাগাতার শীতকাল জুড়ে দুর্গাপুরের আশেপাশে অবস্থিত গ্রামগুলি থেকে মানুষ জন কে বাসে করে তাদের সংস্থার অফিসে নিয়ে এসে শীতবস্ত্র ও মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করে চলেছে। এই নিয়ে ৫ বার তারা এই আয়োজন করল।

আজ সকাল থেকেই প্রচেষ্টার অনুষ্ঠান মঞ্চের আশেপাশে ভিড় জমতে দেখা গেল জামগড়া থেকে আসা সাধারন গ্রামবাসীদের। প্রচেষ্টার কর্ম কর্তারা দুটি বাস ভাড়া করে জামগড়া থেকে নিয়ে এসেছেন বেশ কিছু গরীব দুঃখী মানুষ জন কে। বাড়িতে ব্যবহার করা জামা,কাপড়,চাদর,শীতবস্ত্র ধুয়ে পরিষ্কার করে পরিপাটি করে সাজিয়ে রাখা হয়েছে এখানে। প্রতি জনের নাম নথিভুক্ত করে তাদেরকে সুযোগ দেওয়া হচ্ছে নিজের নিজের মাপের জামাকাপড় তারা যাতে বেছে নিতে পারেন।

‘প্রচেষ্টার’ এই উদ্যোগের সাথে স্থানীয় গৃহবধূরাও হাত মিলিয়েছেন এবং সকাল থেকেই তারা ব্যস্ত জামগড়া থেকে আগত গ্রামবাসীদের কে তাদের হাতে শীতবস্ত্র ও মধ্যাহ্নভোজন তুলে দেওয়ার চেষ্টায়। শুধু যে পুরনো জামা কাপড় দেওয়া হচ্ছে তা নয়। প্রচেষ্টার এক কর্মকর্তার ছেলের আজ জন্মদিন উপলক্ষে তিনি প্রায় ২০০ পিস নতুন শাড়ি ও ২০০ পিস নতুন লুঙ্গি দান করছেন এই গরিব-দুঃখীদের মধ্যে। শরৎচন্দ্র রোডের উপর অবস্থিত প্রচেষ্টার এই অনুষ্ঠানস্থলে গিয়ে দেখা গেল জামগড়া থেকে আসা মানুষজনেরা পরম আনন্দে তাদের মতন শীতবস্ত্র ও নতুন শাড়ি লুঙ্গি নিতে ব্যস্ত রয়েছেন।

দুর্গাপুর শিল্পাঞ্চল বাসীরা ও তাদের ব্যস্ত সময় থেকে কিছুক্ষণের জন্য সভাস্থলে দাঁড়িয়ে উৎসাহ দিচ্ছেন প্রচেষ্টার এই উদ্যোগকে। প্রচেষ্টার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন বিজোন ইস্পাত নগরী সমস্ত বাসিন্দরা। ভবিষ্যতে আবার ও এই ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানালেন প্রচেষ্টার এক কর্মকর্তা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here