লকডাউন থাকা দুর্গাপুরের আকাশে “পিঙ্ক-সুপারমুন” গতরাত্রে ও আজ সকালে

0
391

নিজস্ব সংবাদদাতা, দুর্গাপুরঃ- সারা বিশ্বজুড়ে যখন করোনাভাইরাস এর দাপটে গৃহবন্দী সাধারণ মানুষের জনজীবন, তখন আকাশের বুকে দেখা গেল “পিঙ্ক-সুপারমুন”। বন্দিদশায় থাকা মানুষজন এরা ঘরের ভেতর থেকেই এই সুপারমুনকে আকাশে দেখে আনন্দে অভিভূত হয়ে গেলেন।

গতকাল রাত্রি দুর্গাপুরের আকাশে “পিঙ্ক-সুপারমুন” এর এক ঝলক দেখতে পাওয়া যায়। সারা বিশ্বের মানুষের কাছে আজকের এই চাঁদটিকে “পিঙ্ক-সুপারমুন” বলে জনপ্রিয় হয়েছে। সারাদেশে লকডাউন পরিস্থিতি চালায় সেই সৌন্দর্যকে উপভোগ করার জন্য মানুষজন ঘরের বাইরে যেতে পারলেন না। কিন্তু তবুও ঘরের বেলকনি বা ছাদের থেকে তারা উপভোগ করলেন এই মনোরম দৃশ্য। এই মনোরম দৃশ্য আবারো আজ সকাল ৮:০৫ নাগাদ দেখা গেল সেই “পিঙ্ক-সুপারমুন” ছবি মহাকাশে। কিন্তু আংশিক মেঘাচ্ছন্ন আকাশে কয়েক মুহূর্তের জন্য দেখতে পাওয়া গেল এই “পিঙ্ক-সুপারমুন”কে।

জানা গেছে ইউরোপিয়ান সময় অনুসারে ৭ এপ্রিল রাত 10:35 নাগাদ দেখা গিয়েছিল “পিঙ্ক-সুপারমুন”কে। ভারতীয় সময় অর্থাৎ স্ট্যান্ডার্ড ইন্ডিয়ান টাইম অনুসারে ৮ এপ্রিল সকাল ৮:০৫ নাগাদ আবারো দেখা যায় এই “পিঙ্ক-সুপারমুন”কে। বিশিষ্ট ব্যক্তিগণ নাসার মহাআকাশ বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন এই চাঁদটি আসলে গোলাপী নয় বসন্তের প্রথমে সম্পূর্ণ চাঁদ বলে এটিকে “পিঙ্ক-সুপারমুন” নামকরণ দেওয়া হয়েছে। কক্ষপথে ঘুরতে ঘুরতে যখন চাঁদ পৃথিবীর একদম নিকটে এসে পৌঁছায় তখনই এটি দেখা যায়। পৃথিবী থেকে গতকাল রাত্রে থেকে আজ সকাল অবধি পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব কমে প্রায় ৩ লক্ষ ৬০ হাজার কিলোমিটার হয়েছিল। শেষবার এইরকম ঘটনা ২০০০ সালের ৯ ই মার্চ দেখা গিয়েছিল। এই বছরেই আবার অক্টোবর মাসের ১৬ তারিখে “মাইক্রোমুন” দেখা যাবে। যখন পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব বেড়ে দাঁড়াবে ৪ লক্ষ ৫ হাজার কিলোমিটার। শিল্পাঞ্চলের যে কজন বাসিন্দা আজ এই “পিঙ্ক-সুপারমুন” দেখেছেন তারা নিজেদের ক্যামেরায় তোলা ছবি বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে তুলে ধরেছেন এবং নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা লিখেছেন সামাজিক মাধ্যমে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here